তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২৮ জানুয়ারি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে তৎকালীন সিটিটিসির অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে একটি দল ৩০ জানুয়ারি গাজীপুরের ইবনে মাসউদ মাদ্রাসা থেকে আল আমিনকে আটক করে নিয়ে যায়।
আরও পড়ুন:
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরে মিন্টো রোডে সিটিটিসির কার্যালয়ে তাকে টানা ১৮ দিন শারীরিক নির্যাতন করা হয়। এতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। অভিযোগ রয়েছে, মৃত্যুর ঘটনা গোপন করতে কেরানীগঞ্জের তুলসীখালী সেতু থেকে তার মরদেহ ধলেশ্বরী নদীতে ফেলে দেয়া হয়।
প্রতিবেদনে তৎকালীন সিটিটিসি প্রধান আসাদুজ্জামান, এডিসি ইশতিয়াক আহমেদ, তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক আসাদুজ্জামান মিয়াসহ মোট পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।





