নিহত অনিক চন্দ্র পাল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তার গ্রামের বাড়ি সিলেটে। বর্তমানে তার মরদেহ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।
মেসের সদস্যরা জানান, গত সোমবার থেকে অনিকের সাড়াশব্দ না পেয়ে এবং ফোন বন্ধ থাকায় সন্দেহ হয়। মঙ্গলবার রাতে তার সহপাঠীরা কক্ষের দরজায় ধাক্কাধাক্কি করলেও সাড়া না পেয়ে জানালার কাচ ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় অনিককে ঝুলতে দেখেন। উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সহপাঠীরা জানায়, দুই দিন আগে নিহত অনিকের সঙ্গে তার প্রেমিকার বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পর থেকে অনিকের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর থেকেই অনিক মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন এবং মেসে একাকী থাকতেন।
আরও পড়ুন:
ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও ড্রয়িং ও পেইন্টিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুবাস পাল। তিনি বলেন, ‘নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। স্বজনরা পৌঁছালে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।’
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।




