আসন্ন এশিয়ান গেমসে ২২টি ডিসিপ্লিনে অংশ নেবে বাংলাদেশ, যার একটি ফেন্সিং। পুরুষ ও নারী মিলিয়ে ৫ জনের ছোট দল লড়বে এ ইভেন্টে।
গেমসকে সামনে রেখে গত জুন থেকে অনুশীলন শুরু করেছেন ফেন্সাররা। এশিয়ান গেমসে পদক জেতা বর্তমান বিবেচনায় কঠিন হলেও ভালো করতে আত্মবিশ্বাসী কোচ আবু জাহিদ চৌধুরী।
বাংলাদেশ ফেলিং ফেডারেশনের কোচ আবু জাহিদ চৌধুরী বলেন, ‘প্রিপারেশন ভালোই। এখন আমরা শেষের দিকে ফাইট এনালাইজিং করতেছি। আশা রাখছি লাস্ট এশিয়ান গেমস থেকে এ এশিয়ান গেমসে রেজাল্টটা ভালো হবে। যেটা আমাদের কাঙ্ক্ষিত, আমাদের টার্গেট—ওই কাঙ্ক্ষিত টার্গেটের কাছাকাছি যাতে নিয়ে আসতে পারি। এটলিস্ট ওটা থাকবে প্রত্যাশা। প্লেয়াররা খুবই ভালো করতেছে।’
দেশে তুলনামূলক কম পরিচিত এই খেলার উপকরণ বেশ ব্যয়বহুল। ফেডারেশনের আন্তরিকতায় ফেন্সাররা যথাসময়ে উপকরণ পেলেও বড় পর্যায়ে ভালো করতে দীর্ঘ পরিকল্পনা প্রয়োজন বলেই মনে করেন কোচ।
আরও পড়ুন
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের খেলাটা যেহেতু একটু এক্সপেন্সিভ, ইকুইপমেন্টসের ব্যাপারটা বাংলাদেশে সহজলভ্য না ইকুইপমেন্টস পাওয়া। ইকুইপমেন্টস নিয়ে একটু ঘাটতি ছিলো। আমরা তারপরও এটা ওভারকাম করে চালিয়ে গিয়েছি। ফেডারেশন থেকে প্লেয়ারদের ইকুইপমেন্টস প্রোভাইড করেছে। সবচেয়ে ভালো হতো যদি ১২ মাস আমাদের ট্রেনিংয়ে রাখার ব্যবস্থা হয়। এক মাস, দুই মাস বা তিন মাসের ক্যাম্পে ভালো আপনি কিছু করতে পারবেন না।’
ঠিক কোনো কোনো জায়গা নিয়ে কাজ করা প্রয়োজন তারও রূপরেখা দিয়েছেন জাহিদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘বড় গেমস টার্গেট করে আমরা এক বছরের একটা টার্গেট নেব। ওদেরকে বাইরে পাঠিয়ে দেশের টুর্নামেন্টগুলোতে অংশগ্রহণ করে ওদের যে কম্পেয়ার, ওই কম্পেয়ারটা করলে সবচেয়ে বেটার হবে। বাইরে গিয়ে খেলবে, ওদের তখন ওদের বাইরের প্লেয়ারের সঙ্গে ওদের কম্পেয়ারটা চলে আসবে।’
এর আগে এসএ গেমসের এক আসরেই ফেন্সিংয়ে একটি স্বর্ণসহ মোট ১১টি পদক পেয়েছিল বাংলাদেশ। যথাযথ পরিকল্পনা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে সামনে আরও ভালো ফলাফল আনা সম্ভব বলে মনে করেন এ কোচ।





