গতকাল (বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পানি প্রবাহিত হচ্ছে ১২ দশমিক ৮৮ মিটার উচ্চতায়, যা বিপৎসীমার ৯২ সেন্টিমিটার নিচে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, উজান থেকে পাহাড়ি ঢল ও ফারাক্কা হয়ে নেমে আসা পানি গত ২ সেপ্টেম্বর থেকে পদ্মা নদীর পানি বাড়ছে। প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ১৪ সেন্টিমিটার করে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
এরমধ্যেই পানিতে তলিয়ে গেছে দুই ইউনিয়নের অধিকাংশ রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৩৫০হেক্টর জমির ফসল। এমন অবস্থায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় ১৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান স্থগিত রাখা হয়েছে। নিরাপত্তা বিবেচনায় নিরুচ্ছাই করা হয়েছে বিদ্যালয়ে না যেতেও। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি উপজেলা প্রশাসন।
আরও পড়ুন:
এদিকে প্লাবিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, গো-খাদ্য ও গবাদিপশুর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন দুর্গতরা। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি ত্রাণ সহায়তা দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিন্দ্য গুহ বলেন, ‘প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতির নিয়মিত খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। পানিবন্দী মানুষের সহযোগিতা ও নিরাপত্তার স্বার্থে জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করে জরুরি ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম চালুর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে চিলমারী ইউনিয়নের অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মধ্যে সীমিত পরিসরে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। আগামীতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’




