আজ (বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেস্কো সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘ডিজিটাল লার্নিং উইক ২০২৬’-এর ‘টিচার্স অ্যাট দ্য সেন্টার: এজেন্সি, কম্পিটেন্সিজ অ্যান্ড দ্য টিচার-স্টুডেন্ট রিলেশনশিপ’ শীর্ষক প্লেনারি সেশনে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার থেকে পিছিয়ে থাকার কোনো সুযোগ নেই। বিশ্বজুড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এআই-এর ব্যবহার বাড়ছে। আমরাও এতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। শ্রেণিকক্ষে প্রযুক্তির সমন্বয়ে শিক্ষকদের দক্ষ করে তুলতে এরইমধ্যে “ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব” ও “মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম”-এর মতো প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।’
সম্মেলনে সরকারের এসব উদ্যোগ ও কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে ইউনেস্কোর কৌশলগত ও কারিগরি সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও জাতীয় অর্থনীতির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে কারিগরি খাতে দক্ষ জনশক্তির বিপুল চাহিদা রয়েছে। আমাদের প্রবাসী কর্মীরা বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম মূল চালিকাশক্তি। কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষ করে পাঠাতে পারলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও দেশের সমৃদ্ধি বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।’
একইসঙ্গে যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি ও বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে মাতৃভাষা বাংলা ও প্রধান আন্তর্জাতিক ভাষা ইংরেজির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য ‘তৃতীয় ভাষা’ শেখার ওপর জোর দিচ্ছে সরকার।
উচ্চশিক্ষার উন্নয়ন প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘টেকসই জাতীয় উন্নয়নের জন্য মানসম্মত গবেষণার বিকল্প নেই। আর আন্তর্জাতিক গবেষণা ও বৈশ্বিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জন অপরিহার্য।’
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউনেস্কোর টিচার ডেভেলপমেন্ট সেকশনের প্রধান কার্লোস ভার্গাস। সম্মেলনে আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিদ, নীতিপ্রণেতা ও বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।





