প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি প্রবণতা বর্তমান সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সমস্যা নিরসনে সমীক্ষা যাচাই, প্রকল্প বাস্তবায়নে ত্বরান্বিত করা, অগ্রগতি সাধন ও মাঠ পর্যায়ে নিবিড় তদারকির পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।’
তিনি বলেন, ‘মেগা প্রকল্পে অতিরিক্ত ব্যয়ের বেশকিছু ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত কমিটির সুপারিশে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
আগামীতে দেশে জ্বালানি সংকট মোকাবিলার কথা জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ১৫০টি গ্যাসকূপ খনন করা হবে। কুতুবজোনে নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বাস্তবায়ন করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘জ্বালানি নিরাপত্তা বিবেচনা করে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। ডিজেল চালিত পাম্পগুলোর পরিবর্তে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা হবে।’
আরও পড়ুন:
ভোলায় বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করার বিষয়ে জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘ভোলার প্রাকৃতিক সম্পদ, গ্যাস সম্পদ ব্যবহার করে সার্বিক উন্নয়ন করা হবে। ভোলায় ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হবে।’
এছাড়া দেশের অর্থনীতিতে সমুদ্র ও উপকূলীয় সম্পদের অবদান বাড়াতে পাঁচ বছর মেয়াদী সামগ্রিক মেরিন প্লানিং জোন তৈরি করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।





