আজ (মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ৩০০ বিধিতে দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘যেখানে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, সেখানে ২০২৩ সালে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯৭ টাকা বিমানভাড়া নিয়েছিল। এই টাকাগুলো কী করেছে, কোথায় গেছে? এগুলোর বিচার হওয়া উচিত, তদন্ত হওয়া উচিত। কারণ ইতিহাস কী বলে, ভাড়া কখনো কমে না, ভাড়া বাড়ে। কিন্তু এই সরকার প্রমাণ করেছে, হাজিদের জন্য ভাড়া কমে।’
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ২০২৭ সালের হজের বিমানভাড়া কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।’
২০২৭ সালের হজ প্যাকেজের তথ্য তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘হজ প্যাকেজ-১-এর মূল্য ২০২৬ সালে ছিল ৬ লাখ ৯০ হাজার ৫৯৭ টাকা। ২০২৭ সালে তা কমিয়ে ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় ৭৫ হাজার ৩৩৪ টাকা কমানো হয়েছে।’
এ প্যাকেজে খাবারের জন্য ৪৯ হাজার ১৩৬ টাকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। খাবারের মূল্যসহ হিসাব করলে আগের বছরের তুলনায় এবার হজ প্যাকেজের খরচ আরও কমেছে বলে দাবি করেন ধর্মমন্ত্রী।
তিনি আরও জানান, ২০২৬ সালে হজ প্যাকেজ-২-এর মূল্য ছিল ৫ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। ২০২৭ সালে তা কমিয়ে ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। এ প্যাকেজে আগের বছরের তুলনায় ৫৩ হাজার টাকা কমানো হয়েছে এবং খাবারের জন্য ২৯ হাজার টাকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
হজ ব্যবস্থাপনায় সরকারের জবাবদিহিতার কথা তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আল্লাহর মেহমানদের সেবায় সরকার মানবিকতা, সততা, দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহিতার ধারা অব্যাহত রাখবে।’
গত হজের একটি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘শেষ ফ্লাইট চলে যাওয়ার পর সৌদি আরবে অবস্থানকালে একটি গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, এক দম্পতি ভিসা থাকা সত্ত্বেও টিকিট না পাওয়ায় সৌদি আরবে যেতে পারছেন না।’
পরে সৌদি আরব থেকেই যোগাযোগ করে তাদের টিকিটের ব্যবস্থা করে শেষ ফ্লাইটে হজে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন বলে জানান তিনি।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে তারা হজে যেতে পেরেছেন। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় শুকরিয়া আদায় করার বিষয়।’
আগামী দিনের হজ আরও সুন্দর, সুষ্ঠু ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পরিচালনার তৌফিক দিতে আল্লাহর কাছে দোয়া করার জন্য সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান ধর্মমন্ত্রী।





