মন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে ভোলা মূল ভূখণ্ড থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন। স্থলপথে যুক্ত করার উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের যোগাযোগের সুবিধার্থে পরীক্ষামূলকভাবে ফেরি সার্ভিস চালু করা হয়েছে। বর্তমানে এ রুটে দুটি ফেরি চলাচল করছে।’
তিনি বলেন, ‘পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকদিন চলাচলের পর দেখা গেছে, যাত্রী, ব্যক্তিগত গাড়ি, পিকআপ ও পণ্যবাহী ট্রাকসহ মানুষের মধ্যে এ রুট নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। তাই ফেরির সংখ্যা বাড়ানো, সেবার মান উন্নয়ন, শৃঙ্খলা নিশ্চিত এবং যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা চলছে।’
আরও পড়ুন:
ঢাকার চক্রাকার নৌরুট ও ওয়াটার বাস সার্ভিসকে আরও যাত্রীবান্ধব করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলেও জানান নৌপরিবহন মন্ত্রী। নির্দিষ্ট সময়ে যাত্রা, আরামদায়ক পরিবেশ এবং নৌপথের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত করা গেলে এসব রুট আরও জনপ্রিয় হবে এবং লোকসান কমানো সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সড়ক যোগাযোগের বিষয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘বর্ষা ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি সেতুর আশপাশে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। নিয়মবহির্ভূতভাবে বালু উত্তোলন হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘মানুষের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও জনবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।’
আরও পড়ুন:
অনুষ্ঠানে বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান এ টি এম আব্দুল বারীসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে সমতা আনার লক্ষ্যে গত ২৭ আগস্ট থেকে কাঁচপুর-ইলিশা নৌপথে পরীক্ষামূলকভাবে ফেরি সার্ভিস চালু হয়। বর্তমানে ‘বেগম সুফিয়া কামাল’ ও ‘বেগম রোকেয়া’ নামের দু’টি ফেরি প্রতিদিন উভয় প্রান্ত থেকে চলাচল করছে। এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেতে সময় লাগছে প্রায় আট ঘণ্টা।
সরাসরি এই ফেরি সার্ভিস চালুর ফলে ভোলার পণ্য ও যাত্রী পরিবহন সহজ হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও ব্যবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।





