স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, ত্রিশূলী থ্রি-এ সুড়ঙ্গের ধ্বংসস্তূপের ভেতর মানুষের কণ্ঠস্বর শুনতে পেয়ে তাদের সন্ধানে প্রচেষ্টা জোরদার করেন উদ্ধারকর্মীরা।
আরও পড়ুন:
প্রথমে জীবিত বেরিয়ে আসেন সঞ্জয় শাহ নামের এক ব্যক্তি এবং পরে কবির মাহারজান নামের আরেকজন। তারা দুই জনই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্মী। ত্রিশূলীর তীরে ছয়টি পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিভিন্ন সুড়ঙ্গে এখনও নিখোঁজ প্রায় ছয়শো মানুষ।





