৬ মাসে ২ লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের দাবি নাকচ মালয়েশিয়ার

সরকারের মুখপাত্র ফাহমি ফাদজিল
সরকারের মুখপাত্র ফাহমি ফাদজিল | ছবি: সংগৃহীত
0

আগামী ছয় মাসে প্রায় ২ লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ দেয়া হবে বলে যে দাবি করা হয়েছে, তা নাকচ করে দিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। দেশটির সরকারের মুখপাত্র ও যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল বলেছেন, এ দাবি বাংলাদেশের একজন প্রতিমন্ত্রীর, যা বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান নয়। ফ্রি মালেয়শিয়া টুডের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে ফাহমি ফাদজিল বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি মানবসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। আমাকে জানানো হয়েছে, বক্তব্যটি একজন প্রতিমন্ত্রী দিয়েছেন।’

এর এক দিন আগে বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দাবি করেন, সেপ্টেম্বরের শেষ দিক থেকে পর্যায়ক্রমে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু হবে। ঢাকায় নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার শুহাদা ওসমান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন তিনি।

এদিকে মিয়ানমার এখনো শরণার্থীদের ফেরার জন্য নিরাপদ নয় বলে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) যে উদ্বেগ জানিয়েছে, সে বিষয়েও কথা বলেছেন ফাহমি ফাদজিল। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহামাদ হাসানের বরাত দিয়ে তিনি জানান, স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির প্রথম ধাপে থাকা ১ হাজার ৪৭৬ জন শরণার্থী নিজেদের ইচ্ছায় মিয়ানমারে ফিরছেন বলে নথিতে সই করেছেন।

ফাহমি ফাদজিল বলেন, ‘অভিবাসন বিভাগের হাতে আটক মিয়ানমারের ১০ হাজারের বেশি শরণার্থীর মধ্যে ৫ হাজার জনকে যাচাই-বাছাই করে তাদের নাম মিয়ানমার দূতাবাসে পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ওই তালিকা থেকে ১ হাজার ৪৭৬ জনকে ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার সরকার।’

তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিশেষ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, শরণার্থীদের কিছুই হবে না। মিয়ানমারে তারা নিরাপদে থাকবেন।’ এর আগের দিন ইউএনএইচসিআর জানায়, মিয়ানমারজুড়ে চলমান সশস্ত্র সংঘাত ও সহিংসতার কারণে শরণার্থীদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন সম্ভব নয়।

এএম