তিনি বলেন, ‘দেশে জাহাজ ভাঙা শিল্পে সবুজ কারখানার সংখ্যা এখন ৩১টি। এটিকে তিন ডিজিটে নিতে চায় সরকার।’
জাহাজ ভাঙার ক্ষতিকর রাসায়নিক প্রতিরোধে জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘দূষণ রোধে গুরুত্বপূর্ণ ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ অ্যান্ড ডিসপোজাল ফ্যাসিলিটি (টিএসডিএস) বাড়াতে হবে। এর অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার বিশেষ বর্জ্য শোধনাগার গড়ার উদ্যোগ পর্যালোচনা করছে শিল্প মন্ত্রণালয়।’
আইএমও জানায়, ২০২৪ সালে বিশ্বের মোট জাহাজ রিসাইক্লিংয়ের ৪৩ দশমিক ২ শতাংশই সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশে। তবে এসব জাহাজে থাকা ক্ষতিকর ভারী ধাতু ও বিভিন্ন রাসায়নিক বর্জ্য সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে প্রতিনিয়ত মাটি, পানি ও বায়ুর দূষণ হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
তাই, দেশের জাহাজভাঙা শিল্পসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন কারখানার বিষাক্ত ও বিপজ্জনক বর্জ্য নিরাপদে প্রক্রিয়াজাত করতে ১ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে বিশেষায়িত ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ অ্যান্ড ডিসপোজাল ফ্যাসিলিটি- টিএসডিএফ গড়ে তোলার প্রস্তাব করা হয়েছে।
আরও বলা হয়, পরিবেশের ক্ষতি রোধ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মানদণ্ড বজায় রাখতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এই মেগা উদ্যোগ বাস্তবায়িত হওয়ার কথা চলছে। সরকারি তহবিল, ওডিএ ঋণ এবং পিপিপি মডেলে এর অর্থায়ন প্রস্তাব করা হয়েছে।




