সোমালিয়া সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘১০ দিনের অভিযানে জলদস্যুদের ব্যবহৃত চারটি নৌকা ধ্বংস করা হয়েছে এবং ১৪ জন জলদস্যু নিহত হয়েছে। টানা সামরিক চাপের মুখে বাকি জলদস্যুরা জাহাজটি ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়।’
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, যৌথ বাহিনী এমভি লাতুফ নামের জাহাজটিকে নিরাপদে নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে এবং সেটি আবারও গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে।
জাহাজ চলাচলের তথ্য প্রদানকারী ওয়েবসাইট মেরিন ট্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী, ক্যামেরুনের পতাকাবাহী জাহাজটি গত জুলাইয়ের শেষ দিকে তুরস্ক থেকে তানজানিয়ার দারুসসালাম বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জাহাজটিতে তুরস্কের তৈরি অস্ত্র ছিল। তবে বার্তা সংস্থা এএফপির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে সোমালিয়ার কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেনি। দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির অংশ হিসেবে এই যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়।
২০০০ সালের দিকে সোমালিয়া উপকূলে জলদস্যুতা আশঙ্কাজনক রূপ নেয় এবং ২০১১ সালে তা চরমে পৌঁছায়। পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক নৌবাহিনীর নিয়মিত টহল ও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের ফলে তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে গত এপ্রিল থেকে জলদস্যুদের তৎপরতা আবার বাড়ছে। এ সময়ে অন্তত পাঁচটি বাণিজ্যিক জাহাজ জলদস্যুদের কবলে পড়েছে, যার মধ্যে সর্বশেষ জাহাজটি গত ২০ আগস্ট ইয়েমেন উপকূল থেকে ছিনতাই করা হয়েছিল।





