ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ওই বক্তব্যে পেজেশকিয়ান বলেন, ‘কোনো ইসলামি দেশের উচিত নয় তাদের ভূখণ্ডকে অন্য কোনো ইসলামি দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের সূচনাস্থল হিসেবে ব্যবহার করতে দেয়া। কোনো ইসলামি দেশ যেন প্রতিবেশীদের অনিরাপদ করে নিজের নিরাপত্তা খোঁজার চেষ্টা না করে।’
মাসুদ পেজেশকিয়ান স্পষ্ট করেন, নিজেদের রক্ষা করার অর্থ মুসলিম বা প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি শত্রুতা নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তিতে কূটনৈতিক আলোচনা চলছিল, তখনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে বড় ধরনের সামরিক হামলা শুরু করে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, কূটনৈতিক আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার পরপরই পরিচালিত ওই হামলায় ইরানের সামরিক কমান্ডার, সরকারি কর্মকর্তা, বিজ্ঞানী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ নাগরিক নিহত হন। একই সঙ্গে দেশটির বিভিন্ন শহর ও মৌলিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার তথ্য অনুযায়ী, তেহরানের এই সম্মেলনে ইরাক, পাকিস্তান, তুরস্ক, লেবানন ও আফগানিস্তানসহ ৪০টি দেশের প্রায় ৬০০ জন দেশি-বিদেশি অতিথি অংশ নিচ্ছেন। আগামী রোববার পর্যন্ত সম্মেলনটি তেহরান, কোম ও মাশহাদসহ বিভিন্ন স্থানে অব্যাহত থাকবে।





