উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে অন্তত দুই নারী ও দুই শিশু রয়েছে। তাদের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত সুদানের নাগরিকরাও রয়েছেন।
গ্রিসের অভিবাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে অভিবাসী আগমনের সংখ্যা সাম্প্রতিক সময়ে কমেছে। ২০২৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত এক বছরে প্রায় ৬১ হাজার অভিবাসী গ্রিসে পৌঁছালেও পরবর্তী ১২ মাসে এ সংখ্যা নেমে এসেছে প্রায় ৪২ হাজারে। অর্থাৎ এক বছরে আগমন কমেছে প্রায় ৩১ শতাংশ।
গ্রিসের অভিবাসনমন্ত্রী থানোস প্লেভরিস অভিবাসীদের আগমন ঠেকাতে কঠোর নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এ ছাড়া অভিবাসীদের আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে ‘রিটার্ন হাব’ স্থাপনের বিষয়েও জার্মানি ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের সঙ্গে আলোচনা করছে গ্রিস।





