দীর্ঘদিন পর নতুন রূপে ফিরছে জাতীয় স্টেডিয়াম। আন্তর্জাতিক ফুটবলের জন্য ঢাকার স্টেডিয়ামকে প্রস্তুতে চলছে শেষ মুহূর্তের কাজ। মাঠ সংস্কার ও অবকাঠামোগত প্রস্তুতির প্রায় ৯৫ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে।
গ্রাউন্ডস কমিটির লক্ষ্য, ২৮ থেকে ২৯ তারিখের মধ্যেই মাঠকে খেলার উপযোগী করে তোলা। এরপর আগামী মাসের ৫ তারিখের মধ্যে মাঠ বুঝিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
বাফুফের গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন বলেন, মাঠের অগ্রগতি মোটামুটি মাঠের সমস্ত কাজ প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পূর্ণ। আমরা আগামী মাসের ফার্স্ট উইকের মধ্যে এটা বুঝে নিব।’
শুধু মাঠ প্রস্তুত করাই নয়, আন্তর্জাতিক ম্যাচে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি ‘ভিএআর’ প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়েও নেয়া হচ্ছে প্রস্তুতি। তবে ভিএআর স্থাপনে ঠিক কত খরচ হবে, তা এখনো চূড়ান্ত নয়। পাশাপাশি লিগ শুরুর সময় ঘনিয়ে আসায় এই প্রযুক্তি স্থাপনে এখনও কোন দৃশ্যমান কার্যক্রম চোখে পড়েনি।
বাফুফের গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন বলেন, ‘কালকে এদের একটা সিদ্ধান্ত হয়েছে প্রাথমিকভাবে। এটা নিয়ে আমরা ইমিডিয়েট মিটিং কল করব। মিটিং কল করে কিভাবে কি করা যায় ক্লাবগুলোর সঙ্গে সব। ক্লাবের সঙ্গে সময় মিলিয়ে বসে কিভাবে এগোনো যায় আমরা এ প্রক্রিয়া শুরু করব। কি রকম খরচ হয়েছে তা এখন বলতে পারব না। এটা আমরা হয়তো প্রক্রিয়াগতভাবে আমাদের সিস্টেম অনুযায়ী টেন্ডার কল করব অল্প সময়ের মধ্যে। ওই সময়ে আমরা দেখে এদের সিদ্ধান্ত নিব।’
আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সুবিধা নিশ্চিত করাই এখন মূল লক্ষ্য। গ্রাউন্ডস কমিটির আশা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই মাঠ প্রস্তুত করে আন্তর্জাতিক ফুটবলের জন্য খুলে দেয়া সম্ভব হবে। আর নতুনভাবে প্রস্তুত জাতীয় স্টেডিয়াম ফিরে পাবে তার পুরনো ব্যস্ততা।





