এসময় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু প্রচলিত শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবজীবন ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের উপযোগী করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। তাছাড়া, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য মানসম্মত ও কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার বিকল্প নেই।’
বর্তমানে দেশেরে শিক্ষা ব্যবস্থা কথা উল্লেখ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘শিক্ষা ব্যবস্থা যে অবস্থানে পৌঁছেছে, সেখান থেকে আরও এগিয়ে যেতে হবে। বাস্তবজীবনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। দেশ ও বিদেশের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তুলতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘পড়াশোনা শেষে একজন শিক্ষার্থী যেন দেশ-বিদেশে নিজের যোগ্যতা কাজে লাগাতে পারে, সেই সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। এ জন্য আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা, ক্রেডিট ট্রান্সফারের সুযোগ এবং দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থার দিকে এগোতে হবে।’
ইউজিসির হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এ সংলাপে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬০ জন উপাচার্যসহ নীতিনির্ধারক, জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, দেশি-বিদেশি শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।
সংলাপে উচ্চশিক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশ, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, শ্রমবাজারের চাহিদা, শিক্ষার গুণগত মান, জবাবদিহি ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। পরিবর্তিত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরও উদ্ভাবনী ও সুশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার ওপর জোর দেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমিন এবং ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।





