আজ (শনিবার, ১৫ আগস্ট) বেলা ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন থেকে সরাসরি ও একযোগে সারা দেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই কার্যক্রমের উদ্ভোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
এসময় নোয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে এসময় উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনসহ নোয়াখালীর ৯ উপজেলার শতাধিক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী।
অনুষ্ঠানে আসা সদর উপজেলার ঠেকার হাট হাজী আহাম্মদ উল্যাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মনোতোষ সেন গুপ্ত বলেন, ‘আমরা শিক্ষকতা থেকে অবসরের ৩-৪ বছরের বেশি সময় ধরে ঘুরতে হতো অবসরকালীন ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকার জন্য। মন্ত্রণালয় থেকে অধিদপ্তর, বোর্ড থেকে এজি অফিস-স্কুল এসব স্থানে ঘুরতে ঘুরতেই অসুস্থ হয়ে যেতো অনেকে। অনেক শিক্ষক কর্মচারী নিজেদের অবসর ভাতার টাকা নিজ চোখে দেখার আগেই মৃত্যুবরণ ও করেছেন।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘এখন আর আমাদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে যেতে হবে না। আইবাসের মাধ্যমে ইএফটি হয়ে সরাসরি আমাদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের ভাতা আমাদের ব্যাংকে জমা হবে। এতে করে আমাদের ভোগান্তি শূন্যের কোটায় নেমে আসবে।’
সেনবাগ উপজেলার ছিলোনিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আবদুস ছাত্তার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আজ যে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন, এতে আমরা বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরা তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বেসরকারি শিক্ষকরা এতোদিন চাকুরি থেকে অবসরের পর ভাতার জন্য বিভিন্নজনের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হতো। আজ থেকে সেসব দুর্ভোগের ইতি ঘটেছে এবং নতুন দিগন্তের উন্মোচন হয়েছে।’
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তারেক রহমান টাকা বিতরণের বিষয়ে সম্মতি দেন। জানা যায়, প্রাথমিকভাবে ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে এ সুবিধা দেয়ার পরিকল্পনা থাকলেও তা বাড়িয়ে ১ লাখ ২৩ হাজার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।





