আজ (বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট) দুপুর ১২টা, ময়মনসিংহ নগরের ব্যস্ততম মাসকান্দা এলাকা। আর দশটা দিনের মতোই পাসপোর্ট অফিসের সামনে জমে ছিলো লোকজনের আনাগোনা। ঠিক তখনই স্থানীয় যুবক রুবেল হোসেন রাব্বীর দোকানে হঠাৎ ঢুকে পড়ে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী।
কিছু বুঝে ওঠার আগেই রাব্বীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে সন্ত্রাসীরা। চিৎকার শুনে ছোট ভাই বাধা দিতে এলে তাকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। রক্তভেজা শরীরে রাব্বী লুটিয়ে পড়লে প্রকাশ্যে মহড়া দিয়ে স্থান ত্যাগ করে হামলাকারীরা।
গুরুতর অবস্থায় রাব্বীকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মুহূর্তেই হাসপাতাল প্রাঙ্গণে নেমে আসে শোকের ছায়া।
আরও পড়ুন:
নিহতের ছোট ভাই রিয়াদ হোসেন বলেন, ‘হামলার সময় আমি দোকানের বাইরে বসে ছিলাম। ভাইকে কোপাতে দেখে ফেরাতে গেলে আমাকেও কোপায়। কোনোরকমে দৌড়ে প্রাণ বাঁচাই। হামলাকারীরা চলে গেলে একাই ভাইকে রিকশায় করে হাসপাতালে নেই। কেউ একটু সাহায্য করতে আসলোনা। স্থানীয় প্রভাবশালী ফজলু ও দিলুর ইন্দনে ফজলুর দুই ছেলেসহ বেশকয়েজন ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। ভাইয়ের হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।’
হত্যাকাণ্ডের পরপরই র্্যব, পুলিশ , পিবিআই, ডিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে পুলিশ সুপার জানান, হত্যাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম।
পুলিশ সুপার কামরুল হাসান বলেন, ‘হত্যাকারীরা শনাক্ত হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম। আশা করছি দ্রুতই হত্যাকারীরা গ্রেপ্তার হবে।’
বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।





