মালয়েশিয়ার পাহাং রাজ্যের একটি কারখানায় কর্মরত প্রায় আড়াইশ অভিবাসী শ্রমিকদের দিন কাটছে অনিশ্চয়তায়। বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া ও নেপালের এসব শ্রমিকের অভিযোগ তাদের তিন মাসের বেতন পরিশোধ করছে না নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন ১২৬ বাংলাদেশি শ্রমিক। যারা উচ্চ ব্যয়ের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কাজ পেয়েছেন।
প্রবাসীরা আরও অভিযোগ করেন, নিয়োগ চুক্তিতে দৈনিক আট ঘণ্টা কাজের কথা থাকলেও বাস্তবে তাদের দিয়ে দিনে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করানো হচ্ছে। দৈনিক মজুরি দেয়া হচ্ছে ৬৫ রিঙ্গিত যা দেশটির শ্রমআইন অনুযায়ী প্রায় ১০২ রিঙ্গিত হওয়ার কথা। নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটিও দেয়া হয় না বলে দাবি তাদের।
কর্মরত একজন শ্রমিক বলেন, যেখানটাতে মালয়েশিয়া সরকারি বেসিক অনুযায়ী ৮ ঘণ্টাতে ১৭০০ টাকা, সেইখানটাতে আমাদের ১১ ঘণ্টাতে দিন গেলে ৬৫ টাকা করে দেয়, মালাই রিঙ্গিত।
এখানেই শেষ নয়। শ্রমিকদের অভিযোগ, তাদের পাসপোর্টও আটকে রাখা হয়েছে। বার্ষিক ছুটিতে দেশে যেতে চাইলে ফেরত আসার নিশ্চয়তা হিসেবে আড়াই হাজার রিঙ্গিত জমা দিতে বলা হচ্ছে। এভাবেই নানা শোষণের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি তাদের।
শ্রমিকরা বলেন, ৪ মাস রানিং চলতেছে, আমরা এখন পর্যন্ত স্যালারি পাই নাই। আমরা ১৩০ জন প্লাস মানুষ, ২ সপ্তাহ রানিং চলতেছে আমরা এখন পর্যন্ত বসে আছি।
এদিকে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধে বিলম্বের কথা স্বীকার করে শ্রমিকদের অন্যান্য অভিযোগকে অতিরঞ্জিত বলে দাবি করেছে কোম্পানিটি। তাদের ভাষ্য, প্রতিদিন শ্রমিকদের দাবি বাড়ছে এবং বিষয়টি সমাধান করা কঠিন হয়ে পড়ছে। তবে কর্মীদের দাবি- দ্রুত তদন্ত করে বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং চুক্তি অনুযায়ী কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার।





