শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘গণমাধ্যম শুধু ২৬টি টেলিভিশন চ্যানেল নয়। এখন প্রত্যেকের হাতেই গণমাধ্যম আছে। যে শুনতে চায়, সে শুনতে পারবে। এভাবে কারও বক্তব্য প্রচার বন্ধ রাখা যায় না। শেখ হাসিনার আমলেও আমরা দেখেছি তারেক রহমানের বক্তব্য আদালতের আদেশে প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। সেটা যদি গণতন্ত্র না হয়, তাহলে এটিই বা কীভাবে গণতন্ত্র হয়?’
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা বাংলাদেশের নাগরিক এবং তার পরিবার দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সবকিছু বিবেচনায় তার ব্যক্তিগত ধারণা, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন।’
তিনি বলেন, ‘ওনার বয়স হয়েছে। বাংলাদেশে যদি ফিরে না আসেন, তাহলে ওনার দলের ভবিষ্যৎ কী হবে এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসেরই বা কী হবে—এসব বিবেচনায় আমার কমনসেন্স বলে, উনি ফিরে আসবেন।’
আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা কলেজে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষের বিষয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এসব ঘটনা দেশের নাজুক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরই প্রতিফলন। একই সঙ্গে এটি রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্রসংগঠনের ওপর নিয়ন্ত্রণের অভাবও প্রকাশ করে।’
তিনি বলেন, ‘দিনশেষে আমরা আবারও পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতির দিকেই ফিরে যাচ্ছি।’
উপজেলা প্রশাসনের অনুষ্ঠানে তাকে প্রধান অতিথি করায় স্থানীয় বিএনপির বয়কটের বিষয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বিএনপিকে তো মানতে হবে, মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে সংসদ সদস্য বানিয়েছে। এই কঠিন সত্যটা তাদের মেনে নিতে হবে।’
সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির এনাম খাঁ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনজুর কাদের ভূঁইয়াসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া হয়।




