বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপের দেশগুলো। মধ্য ও উত্তর আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে ফিফার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান তৈরির সিদ্ধান্ত। আর এবারে তাতে যোগ দিয়েছে এশিয়ান ফুটবল। সরাসরি বিশ্বকাপ বয়কট না করলেও উয়েফা এবং কনকাকাফকে সমর্থন জানিয়েছে এএফসি।
গতকাল (শুক্রবার, ৩১ জুলাই) নিজেদের অফিসিয়াল বার্তায় এএফসি জানায়, বিশ্বকাপ বর্জনের যে বাস্তব সম্ভাবনা সামনে উঠে এসেছে, তা সকলেরই বিবেচনা করা উচিত। এএফসি সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম সাক্ষরিত চিঠিতে সংস্থাটি বলছে, বিশ্বকাপকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ছেড়ে দেয়ার প্রস্তাবনা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। উয়েফা-কনকাকাফের পর এএফসিও এখন ফিফাকে ফেলছে চাপে।
আরও পড়ুন:
এরইমধ্যে বিশ্বকাপের বাণিজ্যিকীকরণের প্রতিবাদে পদত্যাগ করেছেন ফিফা প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা কার্লোস কর্দেইরো। যুক্তরাষ্ট্র ফুটবলের প্রধানকে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো নিজেই নিয়োগ দিয়েছিলেন। এবার তার পদত্যাগে কিছুটা বিপাকেই পড়ছে ফিফার পরিকল্পনা।
ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে আরও অস্বস্তিতে ফেলবে নরওয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের মন্তব্য। সংস্থার প্রধান লিসে ক্লাভেনেসের ভাষ্য, ফিফা প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজ পদে আস্থা হারিয়েছেন ইনফান্তিনো।
লিসে ক্লাভেনেস বলেন, ‘এখন আমার স্পষ্ট ধারণা হলো, তিনি (ফিফা সভাপতি) অনেকটাই সবার আস্থা হারিয়েছেন। আগে থেকেই আমরা সেই ফুটবল সংস্থাগুলোর মধ্যে ছিলাম যারা তার ওপর খুব বেশি আস্থা রাখতো। তাই ৬ আগস্টের পর এ বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের সংস্থার পরিচালনা পর্ষদের কাছে উপস্থাপন করবো। অবশ্যই আমরা এ ধরনের বিষয় নিয়মমাফিক বিবেচনা করি।’
সামগ্রিক চাপের মুখে কিছুটা নম্র হলেও ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর বাণিজ্যিক পরিকল্পনা আপাতত বিশ্বব্যাপী নিন্দিত, সেটাই এখন স্পষ্ট।





