দুই দেশের সরকারি তথ্যের ভিত্তিতে ডব্লিউএইচওর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিআরসিতে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৪৭৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে ৯৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিবেশী উগান্ডায় ২০ জন আক্রান্ত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ১৫ মে ডিআরসির ইতুরি প্রদেশে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর পর এবারের প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করা হয়। এটি ডিআরসিতে ইবোলার ১৭তম প্রাদুর্ভাব। খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এই প্রদেশে এখনো রোগটি কেন্দ্রীভূত রয়েছে। প্রদেশটি বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর দৌরাত্ম্যে জর্জরিত।
প্রাদেশিক রাজধানী বুনিয়ায় ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্সের (এমএসএফ) জরুরি কর্মসূচির পরিচালক ত্রিশ নিউপোর্ট বলেন, ইতুরির দারিদ্র্য ও সহিংসতার কারণে যাদের সঙ্গে রোগীর সংস্পর্শ হয়েছে তাদের শনাক্ত করে প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে ‘বিপুল সম্পদের প্রয়োজন হচ্ছে।’
আক্রান্তদের কিছু মৃতদেহ তাদের পরিবার কোনো ধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়াই দাফন করছে। এতে সংক্রমণের গতি আরও বাড়ছে। নিউপোর্ট বলেন, ‘একজনের মৃত্যু থেকে ১৭ জন পর্যন্ত সংক্রমিত হতে পারেন।’
প্রায় ১০ লাখ মানুষের শহর বুনিয়ার রাস্তায় এখনো কিছুটা স্বাভাবিক জীবনযাত্রার আভাস মিললেও নগরবাসীর অনেকেই আতঙ্কে ভুগছেন। মোটরসাইকেল ট্যাক্সিচালক এরিতিয়ে বোমেঙ্গো বলেন, ‘আমি এক সপ্তাহের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন সদস্যকে মারা যেতে দেখেছি। এটি আমাকে ভীষণ ভয় পাইয়ে দিয়েছে।’ তার সহকর্মীদের মতো তিনিও প্রচুর হ্যান্ড স্যানিটাইজার মজুত করে রেখেছেন।





