আজ (বুধবার, ২২ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে শ্যামনগর পৌরসদরের জেসি কমপ্লেক্স চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নারী-পুরুষ এতে অংশ নেন। মিছিলটি পৌরসদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা প্রেসক্লাব চত্বরে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। বিক্ষোভ চলাকালে কয়েকজন অংশগ্রহণকারী হাতে থাকা ঝাড়ু ও জুতা দিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের ছবিতে প্রতীকী আঘাত করেন।
উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আলহাজ সুলাইমান কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, আলোচিত ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর তা আড়াল করার চেষ্টা করা হয়।
আরও পড়ুন:
তাদের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর প্রথমে সেটিকে এআই প্রযুক্তিতে তৈরি বলে দাবি করা হলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠানের যাচাইয়ের পর সেই অবস্থান পরিবর্তন করা হয়। বক্তাদের ভাষ্য, এরপর বিয়ের মাধ্যমে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, একজন জনপ্রতিনিধির এমন কর্মকাণ্ড জাতীয় সংসদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে। তারা জানান, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করতে হবে এবং আইনে দোষী সাব্যস্ত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
আরও পড়ুন:
সমাবেশে বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট আশেক এলাহী মুন্না, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আবু সাঈদ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম দুলু, গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম, পদ্মপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদুল ইসলাম এবং উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি নুরজাহান পারভীন ঝর্ণাসহ অন্যান্যরা।
বক্তারা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দলীয় অবস্থান স্পষ্ট করা উচিত।
আরও পড়ুন:
একইসঙ্গে তারা সতর্ক করে বলেন, অভিযোগের বিষয়ে যথাযথ আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।





