ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড মহারণ যেকোনো প্রেক্ষাপটই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তারকাখচিত দুই দলের এমন এক হাইভোল্টেজ ম্যাচ ঘিরেও নেই কোনো আগ্রহ বা উদ্দীপনা। নিছকই নিয়ম রক্ষার ম্যাচটি মাঠে গড়াচ্ছে শুধু তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করতে।
তাই মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামের এ ম্যাচ অনেকটাই সম্মান রক্ষার, যেখানে দুই দলই বিশ্বজয়ের ব্যর্থযাত্রার শেষটা করতে চাইবে জয় দিয়ে।
স্পেনের কাছে হারের মধ্য দিয়ে ১৪ বছরের দায়িত্বের ইতি টানতে যাচ্ছেন ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশম। বিদায়ী ম্যাচে জয়ই তার একমাত্র লক্ষ্য। যদিও উইলিয়াম সালিবা ইনজুরিতে ছিটকে গেছেন; তবু এমবাপ্পে, ওলিসে, দুয়ের মতো তারকাদের নিয়েই এবারের আসরে শেষবারের মতো জয়ের পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন অভিজ্ঞ এই কোচ।
আরও পড়ুন:
দিদিয়ের দেশম বলেন, ‘দেখুন, হতাশাটা একেবারে স্পষ্ট। ড্রেসিং রুমে খেলোয়াড়রা ভেঙে পড়েছিলো। কিন্তু এখন আমাদের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিতে হবে। সামনে এগিয়ে যাওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে শেষ মুহূর্তের হার এখনও তাড়া করে ফিরছে ইংল্যান্ডকে। কোচ থমাস টুখেলও স্বীকার করেছেন, এই ম্যাচের জন্য খুব বেশি আগ্রহ নেই তাদের। তবু বিশ্বকাপ শেষ করতে চান ইতিবাচক ফল নিয়ে। তবে ইনজুরিতে নেই জর্ডান হেন্ডারসন, বিশ্রাম পেতে পারেন ডেকলান রাইস ও জুড বেলিংহ্যাম। তাই নেতৃত্বে থাকবেন হ্যারি কেইন।
থমাস টুখেল বলেন, ‘আমরা খুব একটা এই ম্যাচের অপেক্ষায় নেই। কিন্তু একটি ম্যাচ এখনও বাকি। সেটি খেলতে হবে, এরপর আবার নতুন করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’
ব্রোঞ্জ পদকের এই লড়াইয়ে আর্কষনীয় হতে পারে কেইন আর এমবাপ্পের গোলের দ্বৈরথ। দু’জনই আছেন বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে।





