বল দখলে আধিপত্য, শক্তিশালী রক্ষণ এবং কার্যকর আক্রমণভাগ- সব মিলিয়ে এবারের বিশ্বকাপে শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে স্পেন। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম।
ম্যাচের শুরু থেকে বলে দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল স্পেনই। সেই ধারায় ম্যাচের ৩০ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন ফাবিয়ান রুইজ। দানি ওলমোর দারুণ এক প্রচেষ্টা বেলজিয়াম গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি শটে বল জালে জড়ান রুইজ।
আরও পড়ুন:
৩৬ মিনিটে ইয়ামালের জোরাল ফ্রি কিক খুব বেশি পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি কোর্তোয়াকে। এর কয়েক মিনিট পরই চার্লস ডি কেটেলারের গোলে সমতায় ফেরে বেলজিয়াম। বিশ্বকাপে টানা ৬০০ মিনিটেরও বেশি সময় পর অবশেষে ভাঙে স্পেনের রক্ষণ।
বিরতির পর গোলের সুযোগ পেয়েছিল স্পেন। কিন্তু কোর্তোয়া এবারও ইয়ামালের প্রচেষ্টা দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন। দ্বিতীয়ার্ধের হাইড্রেশন ব্রেকের ঠিক আগমুহূর্তে ধাক্কা খায় বেলজিয়াম শিবির। চোট নিয়ে মাঠ ছাড়েন কোর্তোয়া। মাঠ ছেড়ে বাইরে গিয়ে কাঁদতে দেখা যায় তাকে।
পর্তুগালের বিপক্ষে শেষ দিকে বদলি নেমে স্পেনকে জিতিয়েছিলেন মিকেল মেরিনো। বেলজিয়ামের বিপক্ষেও একই গল্প লিখলেন তিনি। বদলি নামার পর দুই মিনিট পরই দলকে আনন্দে ভাসান এ ফরোয়ার্ড। পাউ কুবারসির শট বদলি নামা বেলজিয়াম গোলরক্ষক লামেন্স তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হলে ফিরতি শটে বল জালে জড়ান মেরিনো।
শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে বেলজিয়ামকে বিদায় করে ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠে স্পেন। শেষ চারে স্পেনের প্রতিপক্ষ বর্তমান রানার্সআপ ফ্রান্স।





