কোয়ার্টার ফাইনালে আজ মরক্কো-ফ্রান্সের মহারণ

ফ্রান্স বনাম মরক্কো কোয়ার্টার ফাইনাল
ফ্রান্স বনাম মরক্কো কোয়ার্টার ফাইনাল |
0

চলতি বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বলতে গেলে প্রতিটি লড়াই-ই হাইভোল্টেজ ম্যাচ। রাতে প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে গত আসরের দুই সেমিফাইনালিস্ট মরক্কো ও ফ্রান্স। দুর্দান্ত ফর্মে থাকলেও মরক্কোকে আর চমক নয়, শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবেই দেখছে ফ্রান্স।

বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালের চুড়ান্ত প্রস্তুতি সেরেছে হট ফেভারিট ফ্রান্স। বৃহস্পতিবার রাতে শক্তিশালী মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবে দিদিয়ের দেশমের দল। সবশেষ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে তাদের হারালেও, এবার আর মরক্কোকে চমক নয় বরং শিরোপার দাবিদার হিসেবেই দেখছে ফরাসিরা।

বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৪ গোল করেছে ফ্রান্স। তবে কোচ দিদিয়ের দেশমের দাবি, আক্রমণে আরও কার্যকর হতে হবে এমবাপ্পে-ডেম্বেলদের।

ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম বলেন, ‘মরক্কো দারুণ একটি দল। তারা এখানে কাকতালীয়ভাবে আসেনি। তারা বল দখলে রাখতে পারে, আক্রমণ করতে পারে ও প্রচুর গোল করতে পারে। তাদের বিপক্ষে জিততে হলে আমাদের সেরাটা খেলতেই হবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ালথামে অনুশীলনে শুরুতে হালকা জগিং ও ওয়ার্ম-আপ করে পুরো দল। এরপর কোচ দিদিয়ের দেশমের তত্ত্বাবধানে খেলোয়াড়রা ভাগ হয়ে ব্যক্তিগত ড্রিল ও ফুটবল টেনিসে অংশ নেন। পুরো সেশনজুড়ে সতীর্থদের সঙ্গে নিবিড় আলোচনা করতে দেখা যায় দেশমেকে, আর অনুশীলনে ছিলো আত্মবিশ্বাসী ও প্রাণবন্ত পরিবেশ। তবে ফরাসি ফুটবলাররাও মরক্কোকে টুর্নামেন্টে নিজেদের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা বলেই মনে করছেন। বিশেষ করে ডিফেন্ডার দায়োত উপামেকানো প্রতিপক্ষকে দেখছেন আক্রমণ ও রক্ষণে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে।

ফ্রান্সের ডিফেন্ডার দায়োত উপামেকানো বলেন, ‘মরক্কো র‍্যাঙ্কিংয়ে ছয় নম্বরে আছে। ২০২২ সালের চেয়ে আরও উন্নতি করেছে। তারা বল দখলে রাখতে ভালোবাসে, ওয়ান টু ওয়ানে বেশ শক্তিশালী এবং প্রচুর গোল করেছে। তাই রক্ষণ ও আক্রমণ দুই জায়গাতেই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’

এদিকে প্যারাগুয়ের এক সিনেটরের বর্ণবাদী মন্তব্যের পরও কিলিয়ান এমবাপ্পে পুরোপুরি ম্যাচেই মনোযোগী আছেন বলে জানিয়েছেন সতীর্থরা। তার পাশে দাঁড়িয়েছে পুরো দল, ফরাসি ফুটবল ফেডারেশনও আইনি পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে। মাঠের বাইরের বিতর্ক পেছনে ফেলে এখন ফ্রান্সের সব মনোযোগ মরক্কোকে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার লড়াইয়ে।

জেআর