কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো জানিয়েছেন, হামলায় আরও ৯২ জন আহত হয়েছেন। উদ্ধারকর্মীরা দ্বিতীয় দিনের মতো ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রাণের সন্ধান চালাচ্ছেন। মেয়র জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১০ বছরের এক বালকের বাবা-মা এবং ১৫ বছরের এক কিশোরী এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা উদ্ধার হওয়া মরদেহের খণ্ডিতাংশ শনাক্তের চেষ্টা করছেন। এছাড়া উত্তর সুমি অঞ্চলে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় এক নারী ও তার শিশুসন্তানসহ চারজন নিহত হয়েছেন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তার ভাষণে বলেছেন, ‘ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়া রাশিয়ার এই যুদ্ধের আর কোনো যুক্তি নেই। পুতিন যুদ্ধ শেষ করার বদলে আবাসিক ভবন ধ্বংস করতেই বেশি আগ্রহী।’ যুদ্ধে কিয়েভে ধ্বংসযজ্ঞের এমন নজির খুব কমই দেখা গেছে। হামলায় শতাধিক আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান জেলেনস্কি।
মস্কো এই হামলার বিষয়ে বলেছে, রাশিয়ার ভেতরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার ‘প্রতিশোধ’ নিতেই তারা এই অভিযান চালিয়েছে। ইউক্রেন সম্প্রতি রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা জোরদার করেছে, যার ফলে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশটিতে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়াও ইউক্রেনের শহরগুলোতে বিমান হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে।





