আজ (মঙ্গলবার, ২৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এক যৌথ বিবৃতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এতে বলা হয়, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে উপস্থিত আরও প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন সংবাদকর্মী জামায়াত নেতাকর্মীদের এ সন্ত্রাসী হামলার মুখে পড়েন এবং লাঞ্ছিত হন।
বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো যে কোনো স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও সভ্য সমাজের পরিপন্থি। প্রকাশ্য দিবালোকে কর্তব্যরত সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান শিশির, রাব্বী সিদ্দিকী ও আব্দুর রহমান ইশানসহ প্রায় ২৫ জন সংবাদকর্মীর ওপর যেভাবে সন্ত্রাসী কায়দায় আক্রমণ ও লাঞ্ছনা চালানো হয়েছে, তা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। এ ঘটনা প্রমাণ করে যে, তারা ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না এবং দেশকে একটি উগ্র, অসহিষ্ণু ও ফ্যাসিবাদী কাঠামোর দিকে ঠেলে দিতে চায়।
আরও পড়ুন:
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, পেশাদার গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর এ বর্বরোচিত হামলার মধ্য দিয়ে আবারও স্পষ্ট হয়েছে যে, এ স্বাধীনতাবিরোধী মৌলবাদী অপশক্তি এখনো বহুদলীয় গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতায় ন্যূনতম বিশ্বাস রাখে না। একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে সাংবাদিকদের ওপর এমন সন্ত্রাসী হামলা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।
এতে আরও বলা হয়, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সবসময়ই গণতন্ত্র, মুক্তচিন্তা এবং সংবাদমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। অতীতেও ছাত্রদল মুক্ত গণমাধ্যমের পক্ষে আপসহীন ভূমিকা পালন করেছে এবং ভবিষ্যতেও যেকোনো উগ্র ও ফ্যাসিবাদী অপশক্তির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবে।
ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে ধানমণ্ডি-৩২ এলাকায় সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান শিশির, রাব্বী, আব্দুর রহমান ইশানসহ উপস্থিত সব গণমাধ্যমকর্মীর ওপর এ সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে, আহত সব গণমাধ্যমকর্মীর আশু সুস্থতা কামনাসহ তাদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।





