হাজার মাইল ওপারে লিওনেল মেসির গোল। উৎসব-উচ্ছ্বাসের ঢেউ আছড়ে পড়েছে এ টিএসসিতে এসে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙিনা সাতসকালে যেন হয়ে উঠলো একটু করো বুয়েন্স আয়ার্স। কিংবা রোজারিওর অলিগলিতে যে ঝংকার উঠেছে, তারই ধ্বনি- প্রতিধ্বনিত হয়ে বাজছে এখানে।
ভোরের আলো ফোটার আগেই প্রিয় দলের খেলা দেখতে টিএসসিতে জড়ো হন হাজারো সমর্থক। আর লিওনেল মেসি আরো একবার পয়সাউসুল পারফরম্যান্স ফেরত দিয়ে মন ভরিয়ে দিলেন সবার।
টিএসসিতে খেলা দেখতে আসা একজন বলেন, ‘ফাইনাল এক্সাম রেখে খেলা দেখতে আসছি আর্জেন্টিনার। আর্জেন্টিনা কাপ নিয়ে আসবে এটাই এক্সপেক্টেশন অ্যান্ড এটাই রিয়ালিটি।’
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আরো বেশি আত্মবিশ্বাস নিয়ে টিএসসিতে জড়ো হতে থাকেন সমর্থকেরা। হ্যাটট্রিক তুলে নিয়ে গণজমায়েতকে বাঁধভাঙা উল্লাসে মাতিয়ে তোলেন মেসি। সবার কণ্ঠে তখন একটাই নাম।
আরও পড়ুন:
একজন সমর্থক বলেন, ‘মেসি গোল দিয়ে ফেলছে, এর চেয়ে বেশি এক্সাইটেড কী হইতে পারে? এরকম একটা ক্রাউড, এরকম একটা আয়োজন। বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা। সমর্থকরাও পান অপার আনন্দের সুযোগ।’
টিএসসিতে খেলা দেখতে আসা একজন বলেন, ‘তো আজকে আমার প্রিয় দলের খেলা। সো আজকে বাসায় খেলাটা এনজয় না করে আমরা সবাই আজকে ফ্যামিলিসহ এখানে চলে আসছি খেলা দেখার জন্য।’
লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিকে ভক্তদের ভালোবাসার জবাবটা দিলেন তিনি এই বয়সে এসেও। আর ৩-০ গোলের রাজকীয় এই জয় দিয়ে শুরু করে আর্জেন্টিনা জানান দিল, চতুর্থ বিশ্বকাপের প্রত্যাশায় কানসাসে তারা পা রেখেছে।




