আজ (মঙ্গলবার, ৯ জুন) জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন তিনি।
বৈঠকে স্বাগত বক্তব্যে শ্রমমন্ত্রী এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈচিত্র্য ও সম্ভাবনা তুলে ধরে বলেন, ‘সকলের জন্য শোভন কর্মসংস্থান, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। বর্তমানে এই অঞ্চল বেকারত্ব, দক্ষতার ঘাটতি, অনানুষ্ঠানিক খাত এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।’
তিনি বলেন, ‘একইসঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), অটোমেশন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মতো দ্রুত প্রযুক্তিগত পরিবর্তন কর্মজগতে যেমন নতুন সুযোগ তৈরি করছে, তেমনি কর্মসংস্থানচ্যুতি ও দক্ষতার অমিল নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।’
প্রযুক্তিকে বাধা না দিয়ে বরং শ্রমিকদের ডিজিটাল সাক্ষরতা, আজীবন শিক্ষা এবং দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ‘কোনো দেশের পক্ষেই এককভাবে এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। এজন্য অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সর্বোত্তম চর্চার মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে হবে।’
একইসঙ্গে তিনি বৈশ্বিক স্তরে আইএলওকে আরও গণতান্ত্রিক ও দায়বদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।
তিনি আঞ্চলিক অংশীদারিত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মাধ্যমে একটি টেকসই, সহনশীল এবং সবার জন্য কল্যাণকর বিশ্ব গড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভা পরিচালনা করেন সুইজারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী মিশনের প্রতিনিধি নাহিদা সোবহান এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার। সভায় এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের ৪৫টি দেশের শ্রমমন্ত্রী এবং ডেলিগেট প্রধানগণ অংশগ্রহণ করেন।





