সিলেট টেস্টে প্রথম দিনটা স্বস্তি নিয়েই শেষ করেছিলো পাকিস্তান। কিন্তু দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই তাসকিনের জোড়া আঘাতে আবারো অস্বস্তি। ঢাকা টেস্টে অভিষিক্ত আজান আওয়াইস সেঞ্চুরি করলেও সিলেটে তাসকিনের লেট সুইংয়ে ব্যর্থ হয়েছেন লম্বা ইনিংস খেলতে। সতীর্থের দেখানো পথেই হেঁটেছেন আবদুল্লাহ ফজল।
এরপর অধিনায়ক শান মাসুদ-বাবর আজমের ইনিংস মেরামতের চেষ্টায় বাধ সাধেন মেহেদি মিরাজ। শান মাসুদকে ফেরানোর পর মিরপুর টেস্টের স্মৃতি ফিরিয়ে সিলেট টেস্টেও মিরাজের বলেই উইকেট দিয়েছেন সৌদ শাকিল। ৭৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে বিপর্যয়ের শঙ্কায় পড়ে সফরকারীরা। তবে বাবর আজম-সালমান আঘার ইনিংস সর্বোচ্চ ৬৩ রানের জুটিতে ম্যাচে ফেরে পাকিস্তান।
আরও পড়ুন:
৬৮ রান করে উইকেটে থিতু হওয়া বাবর আজমে বড় সংগ্রহের স্বপ্ন ভাঙেন নাহিদ রানা। ফ্লিক করতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন মিড অনে। ৮ রান পরেই তাইজুল সালমান আঘার উইকেট শিকার করলে ১৫০ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে বসে শান মাসুদের দল। সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি পাকিস্তান। নাহিদ রানা আর তাইজুলের উইকেটে ভাগাভাগির মাঝে সাজিদ খানের আক্রমণাত্মক ৩৮ রানের ইনিংসে ২৩২ রানে থামে পাকিস্তান। বাংলাদেশ লিড পায় ৪৬ রানের।
শেষ সেশনে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরু থেকেই ওয়ানডে ঘরানোতে ব্যাট করতে থাকে বাংলাদেশ। তবে ১৫ রানেই বিদায় নেন অভিষিক্ত তানজিদ তামিম। প্রথম ইনিংসে ২৬ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ রানে আউট হয়ে রাঙাতে পারেননি অভিষেক। তবে ক্যারিয়ারের ৬ষ্ঠ হাফসেঞ্চুরি হাকিয়েঁ রানে ফেরার ঈঙ্গিত দিয়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়, মুমিনুলের সাথে জুটি গড়ে দলের ছাড়িয়েছেন ১০০। অর্ধশতকের পরপরই প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন জয়। ৩০ রানের বেশি করতে পারেননি মুমিনুল হকও। শেষ সেশনে ১১০ রানে তিন উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। তবুও একমাত্র অপরাজিত ব্যাটার হিসেবে মাঠ ছাড়ার টাইগার অধিনায়ক শান্তর সঙ্গী ১৫৬ রানের লিড।

 or Benjamin Netanyahu (right) are projected to win enough seats for a majority-320x167.webp)



