মাসখানেক বিরতির পর আবারও সংঘর্ষে জড়ালো আফগানিস্তান ও পাকিস্তান। গত সোমবার আফগান সীমান্ত এলাকায় হামলা চালিয়ে ৭ জনকে হত্যার অভিযোগ উঠে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এতে আহত হন অন্তত ৮৫ জন। হতাহতরা সবাই বেসামরিক নাগরিক বলে জানায় আফগান কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় ফের অশান্ত হয়ে উঠে দুই দেশের সীমান্ত।
এমন অবস্থায় সীমান্তে আটকা পড়েছেন শত শত আফগান শরণার্থীরা। কার্যক্রম বন্ধ থাকায় নিজ দেশে ফিরতে পারছেন না আফগানরা। পাকিস্তান বলছে, নিরাপত্তার শঙ্কায় সীমান্ত ক্রসিংয়ের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
সীমান্ত ক্রসিংয়ের সড়কের দুই পাশে শরণার্থী ও তাদের মালপত্র বোঝাই গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। সীমান্তে অপেক্ষারত শরণার্থীরা উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। দ্রুত ক্রসিংটি খুলে দেয়ার দাবি তাদের।
একজন বলেন, ‘বেশ কয়েকদিন ধরেই আমরা সীমান্তের রাস্তায় অপেক্ষায় আছি। দুই দেশের সংঘাতের কারণে সীমান্ত আবারও বন্ধ আর কবে ফিরতে পারবো জানি না।’
বৈধ ভিসা ছাড়া বাকি সব আফগান নাগরিকদের পাকিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ২০২৩ সাল থেকে ৩০ লাখের মধ্যে ২০ লাখেরও বেশি মানুষকে এরই মধ্যে আফগানিস্তানে ফেরত পাঠানো হয়েছে। যাদের অনেকেই দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের শরণার্থী।
ইসলামাবাদের অভিযোগ, জঙ্গি গোষ্ঠীদের আশ্রয় ও প্রশিক্ষণ দিয়ে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে হামলা চালিয়েছে আফগানিস্তান। এসব অভিযোগ অস্বীকার তালেবান বলছে, জঙ্গিবাদ পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা।





