নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির বক্তব্য আমি শুনিও নাই, পড়িও নাই। সেই বক্তব্য এবং বক্তব্য দেয়ার সুযোগকে আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি। আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি—এই রাষ্ট্রপতির অপসারণ প্রয়োজন, তাকে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন। তার আর কোনো অধিকার নেই বঙ্গভবনে থাকার বা এখানে এসে বক্তব্য দেয়ার।’
তিনি বলেন, ‘তবে রাষ্ট্রপতির কিছু কুকীর্তি এ হাউজের সামনে তুলে ধরতে চাই। শাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে দুদকের কমিশনার করা হয়েছিল তিনটি অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে দুর্নীতির অভিযোগে শাস্তি নিশ্চিত করা; পদ্মা সেতুর দুর্নীতি অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে ক্লিনচিট দেয়া, ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দীনের আমলে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে হওয়া দুর্নীতির মামলা থেকে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তি দেয়া। এমন একজন ব্যক্তিকে বিএনপি এখনও রাষ্ট্রপতি হিসেবে রেখেছে। এটি বিএনপির দেওলিয়াত্ব।’
আরও পড়ুন:
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘আমাদের দুর্ভাগ্য এই দুর্নীতিবাজ, মিথ্যুক, অপদার্থ এখনও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। আমাদের হাতে দুটি অপশন ছিলো, জাতীয় সরকার করতে চেয়েছি, কিন্তু বিএনপি সেটি মানেনি। আরেকটি অপশন ছিল, সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেয়া। সেটা হলে বিএনপি এখনও ক্ষমতায় আসতে পারতো না। সংবিধানের ধারাবাহিকতার কথা বলে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণে বাধা দিয়েছে বিএনপি। এখনতো সাংবিধানিক সংকট নেই। তাহলে কেন এখন তাকে অপসারণ করা হচ্ছে না।’
তিনি বলেন, ‘বাহাত্তরের সংবিধানকে অনেকে একাত্তরের সঙ্গে মিলিয়েছেন। কিছু কিছু সদস্য এটি করেছে। এটাতো আওয়ামী লীগ মেলাতো। বাহাত্তরের সংবিধানকে একাত্তরের ফসল মনে করতো। বাহাত্তরের মূলনীতিকে একাত্তরের মূলনীতি হিসেবে চালিয়ে দিয়েছে। আমরা সব সময় এর বিরোধিতা করেছি। বিএনপির বহু নেতা এর বিরোধিতা করেছেন।’





