২০২৩ সালের মে মাস থেকে ভারতের মণিপুর রাজ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ মেইতেই এবং সংখ্যালঘু কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে ভয়াবহ জাতিগত সহিংসতা বাধে। জমি, সম্পদ এবং আদিবাসী মর্যাদাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে নিহত হন আড়াইশোর বেশি মানুষ। গৃহহীন হন ৬০ হাজারের বেশি বাসিন্দা।
সেই সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দিলেও রাজ্যটিতে অস্থিরতা ও ঘনঘন সংঘাতের ঘটনা বন্ধ হয়নি। চলতি মাসেই বোমা বিস্ফোরণে দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে সংঘাত শুরু হয়।
আরও পড়ুন:
হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা। এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে নিহত হন আরও সাতজন। গ্রেপ্তার হন অনেকেই। থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে গোটা রাজ্যে। উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে সংকটের স্থায়ী সমাধান চায় রাজ্যের বাসিন্দারা। তবে সমস্যা সমাধানে প্রশাসন তেমন উদ্যোগ না দেয়ায় হতাশ তারা।
স্থানীয়দের মধ্যে একজন বলেন, ‘নতুন করে শুরু করার মতো আমার কাছে কিছুই নেই। কারণ আমি শারীরিকভাবে , মানসিকভাবে ও আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। যখন আমি শুয়ে পড়ি তখন এসব চিন্তাভাবনা আমার মাথার ভেতর ঘুরতে থাকে। এখানে থাকতে আমার অনেক কষ্ট হয়।’
অন্য একজন বলেন, ‘আমার বাবা ক্ষমতাসীন বিজেপির একজন কর্মী। ভারতের সবচেয়ে বড় পার্টির একজন হয়েও তিনি তার রাজ্যে নিরাপদ নন। তাহলে কারা নিরাপদে থাকবেন।’
এদিকে নতুন করে সহিংসতায় হতাহতের ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন জেগেছে, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার আদৌ মণিপুরে শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠায় আন্তরিক কি না? নাকি এগুলো পুঁজি করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায় তারা।



 weapon at Eglin Air Force Base, Florida-320x167.webp)

