তবে ঘরোয়া আসরের ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন ৩৬ বছর বয়সী এই পেসার।
পোস্টে রুবেল হোসেন লেখেন, আমি পেসার রুবেল হোসেন। বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেছি ২৭ টেস্ট, ১০৪ ওয়ানডে এবং ২৮ টি টোয়েন্টি। জাতীয় দল আমার আবেগ। কিন্তু একটা সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিতেই হতো। সেই চিন্তা করেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে গুডবাই জানালাম।
ঘরোয়া ক্রিকেট প্রসঙ্গে তিনি লিখেছেন, তবে ঘরোয়া আসরের ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে।
এসময় তার পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, গণমাধ্যমকর্মী ও ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান রুবেল।
তিনি লেখেন, আমার পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, গণমাধ্যমকর্মী ও ভক্তদের ধন্যবাদ। বাকি সময়টাতেও এভাবেই আমাকে আপনাদের পাশে রাখবেন এটা আমার বিশ্বাস।
পোস্টের শেষে তিনি লিখেছেন, অনেক ভালোবাসা সবার প্রতি।
আরও পড়ুন:
২০০৯ সালের জুলাইয়ে কিংসটাউনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল রুবেলের। অভিষেক টেস্টের দুই ইনিংসে ১২১ রানে ৩ উইকেট নেন তিনি। ম্যাচটি ৯৫ রানে জিতেছিলো বাংলাদেশ।
২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাওয়াপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে সবশেষ টেস্ট খেলেন রুবেল। ওই টেস্টে এক ইনিংস বল করে ১১৩ রানে ৩ উইকেট নেন তিনি। টেস্টটি ইনিংস ও ৪৪ রানে হারে টাইগাররা।
দেশের হয়ে ২৭ টেস্টের ৪৪ ইনিংসে ৩৬ উইকেট শিকার করেছেন রুবেল। ইনিংসে একবার পাঁচ বা তারও বেশি উইকেট আছে এই পেসারের। ইনিংসে তার সেরা বোলিং ফিগার ১৬৬ রানে ৫ উইকেট।
২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে হ্যামিল্টনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২৯ ওভার বল করে টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগার দাঁড় করান রুবেল। তার বোলিং গড়- ৭৬ দশমিক ৭৭ এবং ইকোনমি ৩ দশমিক ৯২।
দেশের মাটিতে ১৫ টেস্টের ২৫ ইনিংসে ১৪টি ও বিদেশের মাটিতে ১২ টেস্টের ১৯ ইনিংসে ২২ উইকেট নেয়া রুবেল ব্যাট হাতে ২৬৫ রান করেছেন।
আর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বল হাতে ৬০ ম্যাচে ৯৭ উইকেট এবং ব্যাট হাতে করেন ৫৫৫ রান করেছেন এই পেসার। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি।
এক দিনের ক্রিকেটে ১০৪টি ম্যাচ খেলে ১২৯টি উইকেট নিয়েছেন। ২৮টি টি-টোয়েন্টি খেলে ২৮টি উইকেট রয়েছে তার। শেষ বার ২০২১ সালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছিলেন রুবেল।




 as it orbits its host star-320x167.webp)
