ইরান যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে ইউরোপ-এশিয়ায় বিক্ষোভ

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে বিক্ষোভ করেছে শত শত মানুষ
স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে বিক্ষোভ করেছে শত শত মানুষ | ছবি: সংগৃহীত
0

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধ ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসরাইলবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইউরোপের দেশে স্পেন। অবিলম্বে ইরানে সংঘাত অবসানে খোদ ইসরাইলেও বিক্ষোভ করেছে শত শত মানুষ। এদিকে, ভারত ও সেনেগালের মুসলিম সম্প্রদায়ের ঈদ উদযাপন রূপ নেয় ইসরাইলবিরোধী বিক্ষোভে। ইরানে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান মুসলিম বিশ্বের মানুষ।

২৩ দিনে গড়িয়েছে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলে যুদ্ধ। দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছেই। যুদ্ধের বিরূপ প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি খাতে। এরইমধ্যে ইউরোপ, এশিয়াসহ বিশ্বের বেশিরভাগ দেশই তেল-গ্যাস সংকটের আশঙ্কায় পড়েছে। যুদ্ধ বিস্তৃত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশেও। হরমুজ প্রণালি রক্ষায় পদক্ষেপ নেয়ার মাধ্যমে যুদ্ধে কার্যত জড়িত হচ্ছে ইউরোপও।

রাশিয়া-ইউক্রেন, গাজা যুদ্ধের পর চলমান ইরান যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে বিশ্ববাসী। স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে বিক্ষোভ করেছে শত শত মানুষ। বিক্ষোভকারীদের ব্যানারে লেখা ছিল ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু যুদ্ধাপরাধী। অবিলম্বে এই যুদ্ধ অবসানের দাবি জানান আন্দোলনকারীরা।

শুধু ইউরোপে নয় খোদ ইসরাইলেও যুদ্ধে বিরোধীতা করে বিক্ষোভ করেছে শত শত মানুষ। তেল আবিবে যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভে নামে শত শত ইসরাইলি। এ সময় ইসরাইলের সামরিক পদক্ষেপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার বিরোধিতা করে স্লোগান দেয় বিক্ষোভকারীরা। হাতে লাল রঙ মেখে রক্তের প্রতীক হিসেবে প্রতিবাদ করে তারা। ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানান আন্দোলনকারীরা।

আরও পড়ুন:

এদিকে শনিবার ঈদের নামাজ শেষে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন ও ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের মুসলমানরা। আহমেদাবাদ ও লখনৌয়ে হাতে কালো ব্যাজ পড়ে প্রতিবাদ জানান।

ঈদের জামাত শেষে বিক্ষোভ হয়েছে আফ্রিকার মুসলিম দেশ সেনেগালেও। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে চিরস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রার্থনা করেন মুসল্লিরা। যুদ্ধ বন্ধ হয়ে মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা মুসলিম শান্তি ফিরে আসবে এমনটাই প্রত্যাশা তাদের।

সম্প্রতি রয়টার্স ও ইপসোসের জরিপে দেখা যায়, প্রায় ৬৫ শতাংশ মার্কিন নাগরিকের বিশ্বাস খুব শিগগিরই ইরানে বড় পরিসরে স্থল অভিযানের নির্দেশ দেবেন ট্রাম্প। এই সমর্থনে একমত নন মাত্র ৭ শতাংশ মানুষ।

এএম