নিহত ইমরান হোসেনের আত্মীয় সাদ্দাম হোসেন জানান, গতকাল (বুধবার, ১১ মার্চ) সন্ধ্যায় শুকুরভাঙ্গা এলাকা থেকে ইমরান হোসেনের অটোভ্যানটি ভাড়া নেয় চাচাতো ভাই সুমন হোসেন। এ সময় হেলালসহ আরও দু’জন ছিলো।
তিনি জানান, অটোভ্যান নিয়ে সন্ধ্যা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত চাটমোহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাঘুরি করে তারা। পরে আনুমানিক রাত দশটার দিকে রামচন্দ্রপুর শ্মশান এলাকায় ভ্যান ও মোবাইল ছিনতাইয়ের উদ্দেশে প্রথমে ইমরানকে মারধর করে। পরে চাচাতো ভাইসহ তার সহযোগীরা ইমরানকে ফাঁস দিয়ে হত্যা করে ফেলে রেখে পার্শ্ববর্তী ভাঙ্গুড়া উপজেলার একটি বাড়িতে আশ্রয় নেয়।
আরও পড়ুন:
পরিবারের লোকজন ইমরানকে খুঁজে না পেয়ে এলাকার বাজারে এসে জানতে পারে তিন ব্যক্তিকে নিয়ে ভাড়ায় গেছে ইমরান। পরিবার ও এলাকাবাসী ওই ৩ ব্যক্তিকে খুঁজতে ভাঙ্গুড়া উপজেলায় চাচাতো ভাইয়ের বাড়িতে পৌঁছায়। এ সময় বিভিন্ন কথাবার্তা অসংলগ্ন মনে হলে তিনজনকে আটক করে চাটমোহর নিয়ে আসে এলাকাবাসী।
পরে স্বজন ও এলাকাবাসীর জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে, ইমরানকে মেরে শ্মশান এলাকায় ফেলে রাখা হয়েছে। পরে বুধবার রাতেই চাটমোহর থানা পুলিশে খবর দেয় পরিবারের লোকজন।
এ বিষয়ে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম সারওয়ার হোসেন বলেন, ‘বৃহস্পতিবার ভোরে ঘটনাস্থল থেকে নিহত ইমরানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় রক্তাক্ত জখমের চিহ্ন রয়েছে। একই সময় অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করে থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।’





