মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, মোহনগঞ্জ উপজেলার বসুন্তিয়া গ্রামের রিজিয়া খাতুনের সঙ্গে কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জের আবু বাক্কারের বিয়ে হলেও তারা রিজিয়ার বাবার বাড়িতে থাকতেন। এটি ছিল রিজিয়ার দ্বিতীয় বিয়ে।
বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই পূর্বের স্বামী নিয়ে রিজিয়ার সঙ্গে আবু বাক্কারের পারিবারিক কলহ শুরু হয়। এর জেরে ২০১৪ সালের ২৯ এপ্রিল রাতে আবু বাক্কার তার স্ত্রীকে গায়ের শার্ট দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর উঠোনে খড়ের গাদার ভেতরে লুকিয়ে রাখে। পরে নিজের ছেলেকে ফোন দিয়ে ঘটনার কথা জানিয়ে সে পালিয়ে যায়। পরদিন পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
আরও পড়ুন:
এ ঘটনায় রিজিয়ার মেয়ে বিউটি বাদী হয়ে সৎ বাবাকে প্রধান আসামিসহ আরও তিন থেকে চারজনকে অজ্ঞাতনামা করে মোহনগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি একজনকে আসামি করে আদালতে চূড়ান্ত চার্জশিট দাখিল করে।
আরও পড়ুন:
আদালতে দীর্ঘ বিচার কার্যক্রমে মোট ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন বিচারক।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন পিপি আবুল হাসেম এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন মো. নজরুল ইসলাম খান।





