এসময় হামলার জবাবে হান্নান মাসউদের সঙ্গে থাকা এনসিপির কর্মী-সমর্থকরা প্রতিবাদ করতে গেলে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হন। এনসিপির অভিযোগ, দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে থাকা দশটির বেশি মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও কয়েকজন নেতাকর্মীকে অবরুদ্ধ করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, হান্নান মাসউদ তার গাড়িবহর নিয়ে প্রকল্প বাজার এলাকায় পৌঁছালে সেখানে গাড়িবহর লক্ষ করে হামলা চালানো হয়। হামলার মুখে প্রথমে পিছু হটলেও পরবর্তীতে হান্নান মাসউদের নেতৃত্বে এনসিপি কর্মীরা পুনরায় একত্রিত হন। এসময় উভয়পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে একাধিকবার সংঘর্ষ হয় এবং ১০ জনের মত আহত হয়।
আরও পড়ুন:
জাতীয় যুবশক্তির হাতিয়া উপজেলা আহ্বায়ক মো. ইউসুফ বলেন, ‘পুলিশের উপস্থিতিতে আমাদের ওপর এভাবে হামলা করা হয়েছে, অথচ পুলিশ সেখানে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। প্রশাসনের এমন রহস্যময় ভূমিকা আমাদেরকে অবাক করেছে। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির ওপর এভাবে হামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আমাদের প্রায় ২০ জন নেতাকর্মীর বাড়িঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে সন্ত্রাসীরা। এসব বিষয়েও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’
জানতে চাইলে আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, ‘হামলাকারী সন্ত্রাসী বেলাল মাঝিকে গ্রেপ্তার করা না পর্যন্ত আমি এখান থেকে অবস্থান ছাড়বো না। সে ২০১৮ সালেও সাবেক এমপি ফজলুল আজিমের ওপর হামলা করেছিল।’
বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্যে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, ‘আমাদের পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আমরা বিষয়টি সম্পূর্ণ না জেনে কোনো মন্তব্য করবো না।’





