নদী ও হাওর বিস্তৃত জেলা নেত্রকোণা। প্রতি বর্ষায় পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় প্লাবিত হয় জেলার বেশিরভাগ উপজেলা। বানের পানিতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়তে হয় সীমান্তবর্তী দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা উপজেলার নিচু এলাকার বাসিন্দাদের।
বানভাসিদের উদ্ধারে ২০২২ ও ২০২৩ সালে দুইটি আধুনিক মাল্টিপারপাস রেসকিউ বোট দেয় ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের। তবে উদ্ধারকাজের জন্য দেয়া সেই বোট এখন নিজেই পড়ে আছে উদ্ধারের অপেক্ষায়।
আরও পড়ুন:
জেলার ঠাকুরাকোনা কংস নদীর উঁচু তীরে পড়ে আছে ‘নেত্রকোণা-বিরিশিরি ১ ও ২’ নামে দুটি আধুনিক রেসকিউ বোট। চালক কিংবা নিরাপত্তাকর্মী না থাকায়, বোট দুটি যেন এখন স্থানীয় চোর ও মাদক কারবারিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। এরই মধ্যে চুরি হয়েছে মূল্যবান বিভিন্ন সামগ্রী।
স্থানীয় জানান, দীর্ঘদিন পরে থাকার কারণে, চুরি হওয়ার পাশাপাশি সব কিছু এখন নষ্ট হওয়ার পথে।
প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় চালক ও গার্ড নেই বলে জানিয়েছেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা। আর জেলা প্রশাসক বলছে বোট দুটি সচল করার জন্য নেয়া হচ্ছে উদ্যোগ।
নেত্রকোণা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মুহাম্মদ রুহুল আমীন বলেন, ‘সরকারিভাবে যদি চালু করার জন্য জনবাল নিয়োগ দেয়া হয়, তাহলে আবার পুনরায় চালু করা হবে।’
এদিকে, নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন, ‘অধিদপ্তরের সঙ্গে আলোচনা চলছে, সরকার থেকে অনুমোদন পেলে; এ সেবা আবারও চালু করা হবে।’




