যশোরের মনিরামপুরের মুজগুন্নি গ্রামের আব্দুল করিম। ২০১৫ সালে মাত্র এক বিঘা জমিতে শুরু করেন কুল চাষ। ফলন ভালো হওয়ায় পরবর্তীতে বাড়িয়েছেন চাষের পরিমাণ। চলতি বছর ১৫ বিঘা জমির গাছে ধরেছে ফলন। ১৫ লাখ টাকা খরচ করে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকার কুল বিক্রির আশা করছেন তিনি। তার মতো অনেকেই কুল চাষ করে হচ্ছেন স্বাবলম্বী।
কুল চাষি আব্দুল করিম বলেন, ‘বাজারে প্রচুর চাহিদা আছে। প্রতিদিন আমরা পঞ্চাশ থেকে দেড়শো মণ কুল বাজারে নিয়ে বিক্রি করছি। আর ভালো দামও পাচ্ছি।’
অন্য কুল চাষিরা জানান, কুল চাষ করে সবাই স্বাবলম্বী হচ্ছে। যে কেউই স্বাবলম্বী হতে পারবে কুল চাষ করে।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় বাজারে কাশ্মীরী আপেল, বলসুন্দরী ও থাই আপেলসহ বিভিন্ন জাতের কুল বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে ৪০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।
স্থানীয় চাষিরা জানান, প্রচুর ফলন হওয়াতে, আগের চেয়ে কিছুটা দাম কম পাওয়া যাচ্ছে। তবুও লাভবান হচ্ছেন তারা।
সহজ চাষ পদ্ধতি ও রোগের উপক্রম কম হওয়ায় কৃষকদের বাড়ছে আগ্রহ, এমনটাই বলছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অতিরিক্ত উপ-পরিচালক প্রতাপ মন্ডল বলেন, ‘কুল চাষের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। আমরা আশা করি আমাদের দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করা যাবে।’
চলতি বছর জেলায় সাড়ে ৫০০ হেক্টর জমির আবাদ থেকে সাড়ে ৭ হাজার টন কুল উৎপাদনের আশা করছে কৃষি বিভাগের।




