ঠাকুরগাঁওয়ের একমাত্র প্রধান ভারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান ঠাকুরগাঁও সুগার মিল। ১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠানটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে শেষ হয় ১৯৫৮ সালে। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে সুগার মিলের চিমনির ঢাকনাসহ বেশ কিছু মালামাল লুটপাট হয়ে যায়। নানা সমস্যায় জর্জরিত দীর্ঘ দিনের পুরনো মিলটি চালু করলেই ছাই ছড়াতে শুরু করে।
প্রতিবছর ডিসেম্বর মাসে মিলের কার্যক্রম চালু হয়, চলে দুই থেকে তিন মাস। পুরোটা সময় জুড়ে বাতাসের সঙ্গে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে ছাই। এতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা জানান, মিলের ছাইয়ের কারণে এলাকায় অনেক সমস্যা দেখা দিয়েছে। বাতাস আসলেই সমস্যা আরও বাড়ে।
আরও পড়ুন:
মিলের আশপাশে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছাইয়ের দখলদারিত্ব চলে। প্রতি মৌসুমে একই সমস্যা, তবুও সুগার মিল কর্তৃপক্ষ সমস্যা সমাধানে কোনো ব্যবস্থাই নিচ্ছে না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
স্থানীয়রা আরও জানান, টিনের চাল থেকে শুরু করে বাজারে কোনো মালামাল কিনতে গেলে, ময়লাসহ মালামাল কিনতে হয়।
প্রায় ৬৮ বছরের পুরনো এ সুগার মিল সংস্কার হয়নি দীর্ঘদিন ধরে। পুরনো বয়লারের ত্রুটির কারণে ছাই ছড়িয়ে পড়ছে। নতুন বয়লার স্থাপন করা হলে ছাই ছড়ানো বন্ধ হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।
ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহজাহান কবির বলেন, ‘আমরা পরিবর্তন করার জন্য মন্ত্রণালয়ে বলেছি। আর পরিবেশ দূষণের বিষয়ে আমরা সর্বচ্চো চেষ্টা করছি, যাতে করে পরিবেশ দূষণ বন্ধ করতে পারি।’





