ঢাকা-১৬ আসন থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন আমিনুল; কিন্তু তিনি জয়ী হতে পারেননি। ঢাকা-১৬ আসনে তিনি হেরে যান জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী কর্নেল (অব.) মো. আবদুল বাতেনের কাছে।
নির্বাচনে হেরে গেলেও গত কয়েকদিন আমিনুলকে নিয়ে ছিল তুমুল গুঞ্জন। নির্বাচিত হতে পারলে নতুন সরকারে তিনিই হবেন ক্রীড়ামন্ত্রী, এতে কোনো সন্দেহ ছিল না। কিন্তু তিনি হেরে যাওয়ায় নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী কে হচ্ছেন তা নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়।
আরও পড়ুন:
শেষ পর্যন্ত সব গুঞ্জনে পানি ঢেলে আমিনুলকেই ডাকা হলো মন্ত্রিসভায়। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যে ২৪ জন শপথ নিয়েছেন, তার মধ্যে একমাত্র টেকনোক্র্যাট কোটায় ছিলেন আমিনুল। পুরো মন্ত্রিসভায় মোট তিনজন টেকনোক্র্যাট কোটায় ঠাঁই পেয়েছেন। বাকি দুজন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, সবশেষ আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিসভায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রণালয় ঘোষণা করে নাজমুল হাসান পাপনকে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও ড. আসিফ নজরুল। এবার নতুন সরকারের আমলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় পরিচালিত হবে একজন প্রতিমন্ত্রীকে দিয়ে।

 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)



