কেন ১০ ফেব্রুয়ারি টেডি ডে পালন করা হয়? (Why Teddy Day is Celebrated?)
প্রেমিক-প্রেমিকার মান-অভিমান ভাঙাতে কিংবা প্রিয় মানুষকে বিশেষ অনুভব করাতে টেডি বিয়ারের জুড়ি নেই। এটি কেবল একটি খেলনা নয়, বরং এটি সঙ্গীর অনুপস্থিতিতে তার অস্তিত্বের জানান দেয়। এই নরম পুতুলটি সম্পর্কের গভীরতা ও মায়ার প্রতিফলন ঘটায় বলেই ভ্যালেন্টাইন ক্যালেন্ডারে দিনটি বিশেষ স্থান দখল করে নিয়েছে।
আরও পড়ুন:
টেডি বিয়ারের বিস্ময়কর ইতিহাস (History of Teddy Bear)
অনেকেই হয়তো জানেন না, টেডি বিয়ারের নামটির সাথে জড়িয়ে আছে আমেরিকার ২৬তম প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট (Theodore Roosevelt)। ১৯০২ সালের নভেম্বর মাসে তিনি মিসিসিপিতে শিকারে গিয়ে একটি ছোট্ট কালো ভাল্লুক ছানাকে গুলি করতে অস্বীকৃতি জানান। তার এই মানবিকতা নিয়ে কার্টুনিস্ট ক্লিফোর্ড বেরিম্যান একটি কার্টুন আঁকেন। সেই কার্টুন দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে মরিস মিকটম এবং তার স্ত্রী প্রথম খেলনা ভাল্লুক তৈরি করেন এবং প্রেসিডেন্টের ডাকনাম 'টেডি' থেকে এর নাম রাখেন 'টেডি বিয়ার' (Teddy Bear)। ১৯০৩ সাল থেকে এটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হতে শুরু করে।
রঙভেদে টেডি বিয়ারের অর্থ (Significance of Teddy Bear Colors)
টেডি ডে-তে বিভিন্ন রঙের টেডি বিয়ারের ভিন্ন ভিন্ন অর্থ রয়েছে:
- লাল টেডি (Red Teddy): ভালোবাসা ও প্যাশনের প্রতীক।
- গোলাপি টেডি (Pink Teddy): প্রস্তাব গ্রহণ বা স্নেহের বহিঃপ্রকাশ।
- সাদা টেডি (White Teddy): শান্তি ও পবিত্র সম্পর্কের প্রতীক।
আরও পড়ুন:
কীভাবে দিনটি উদযাপন করবেন? (How to Celebrate Teddy Day?)
আপনার প্রিয় মানুষকে সারপ্রাইজ দিতে তার পছন্দের রঙের একটি বড় বা ছোট টেডি উপহার দিন। সাথে একটি রোমান্টিক নোট (Romantic Note) লিখে দিন। আজকাল টেডির গায়ে প্রিয়জনের ছবি বা নাম প্রিন্ট করে কাস্টমাইজড উপহার (Customized Gift) দেওয়ার প্রবণতাও বেশ জনপ্রিয়।





