শোকবার্তায় তিনি লিখেন, বাংলাদেশের দর্শন এবং শিল্পচর্চা শত শত বছর ধরে হাতে হাত রেখে চলেছে। আমাদের এই ভূখণ্ডের মানুষ তার জাগতিক আনন্দ-বেদনার বোধের পাশাপাশি দার্শনিক ভাবনা ও সমাজচিন্তার প্রকাশ করেছে গান রচনার মধ্য দিয়ে। এই দেশের চিন্তার ঐতিহ্য তাই কোনো দর্শনের বইয়ে না খুঁজে খুঁজতে হয় আমাদের গানে। লালন, হাসন, জালাল খাঁ, শাহ করিমসহ আরও অগণিত ভাবুক বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছেন।
আরও পড়ুন:
তিনি লিখেন, সুনীল কর্মকার জালাল খাঁ ঘরানার একজন বিশিষ্ট সংগীত ও ভাবসাধক। তার সান্নিধ্যে আসার সুযোগ হয় আজ থেকে বহু বছর আগে। তখনই তার কণ্ঠে জালাল খাঁর গান আমাকে অনুপ্রাণিত করে। গান গাওয়ার পাশাপাশি বেহালা, দোতরাসহ একাধিক বাদ্যযন্ত্রে তিনি পারদর্শী ছিলেন।
উপদেষ্টা জানান, গুণী এই শিল্পীর অসুস্থতার খবর পাওয়া মাত্রই সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় দ্রুত তার পাশে দাঁড়ায়।
সংস্কৃতি উপদেষ্টা বলেন, ‘আজ ঘুম ভাঙার পরই পাওয়া এই শোক সংবাদ আমাকে ব্যক্তিগতভাবে বেদনার্ত করেছে। সামষ্টিকভাবে এটি আমাদের সংস্কৃতি অঙ্গনের এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমি তার আত্মার শান্তি কামনা করি।’





