তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচার যারা পালিয়ে গেছে ৫ আগস্ট তারা যে আপনাদের রাজনৈতিক অধিকার, ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিলো সেটার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে মেরিসহ অনেকে নির্যাতিত হয়েছে। এ মানুষগুলোর আত্মত্যাগ আমাদের যদি মূল্যায়ন করতে হয়, প্রতিদান করতে হয় তাহলে শুধু মিটিং করলে আমাদের হবে না। তাদের প্রতিবাদ ছিলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে। যে অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছিলো তার বিরুদ্ধে। এ অধিকারকে যদি প্রয়োগ করতে হয়, কেড়ে নেয়া অধিকার যদি ফিরিয়ে আনতে হয় তাহলে অবশ্যই ১২ তারিখে আপনাদের সোচ্চার হতে হবে। ১২ তারিখে যদি আপনারা জবাব দিতে পারেন ধানের শীষে ভোট প্রদানের মাধ্যমে তাহলে যারা আপনাদের অধিকার কেড়ে নিয়েছিলো তারা তাদের জবাব পাবে।’
আরও পড়ুন:
এসময় তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যারা বিএনপি করি তারা শান্তিতে বিশ্বাস করি। আমরা সকল ধর্ম, বর্ণের মানুষকে নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে চাই। আমাদের কাছে মূখ্য হচ্ছে সে বাংলাদেশের নাগরিক। আমাদের কাছে ধর্ম মূখ্য নয়।’
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘স্বৈরাচারের পতন ঘটেছে। এখন দেশ গড়তে হবে আমাদেরকে। আমাদের সকলকে এখন একসাথে কাজ করতে হবে দেশ গড়ার জন্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘সিরাজগঞ্জ ও পাবনায় ছোট ছোট মিল কারখানা রয়েছে। কিন্তু এ মুহূর্তে কৃষিকেও যেমন আমাদের টেনে তুলতে হবে। কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়াতে হবে। একইসঙ্গে লাখ লাখ তরুণ যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। যেহেতু উত্তরাঞ্চল কৃষির সঙ্গে জড়িত বেশি সেজন্য আমরা উত্তরাঞ্চলে কৃষিনির্ভর শিল্প ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই।’





