প্রায় ১৬ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার অন্যতম ভরসাস্থল মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল। প্রতিদিন জেলার সাত উপজেলা থেকে এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন রোগীরা। বিভিন্ন রোগের পাশাপাশি নিয়মিত চিকিৎসা নিতে আসেন কুকুর ও বিড়ালের কামড়ে আক্রান্ত রোগীরাও। হাসপাতাল সূত্র বলছে, জেলায় প্রতিদিন গড়ে দেড়শো থেকে দুইশো ডোজ জলাতঙ্কের ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হয়।
কিন্তু গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে সদর হাসপাতালে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে র্যাবিস ভ্যাকসিনের সরবরাহ। ফলে বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে ভ্যাকসিন কিনে নিতে হচ্ছে আক্রান্তদের। পাশাপাশি এক বছর ধরে জেলা সদরের ফার্মেসিগুলোতেও দেখা দিয়েছে ভ্যাকসিন সংকট।
আরও পড়ুন:
ভ্যাকসিন দিতে আসা রোগীরা জানান, হাসপাতালে ভ্যাকসিন না থাকায় বাহির থেকে কিনে এনে ভ্যাকসিন দেয়া লাগছে। আর এদিকে হাসপাতালের পাশাপাশি দোকানেও ভ্যাকসিন নেই বলে জানান দোকান ব্যবসায়ীরা।
মানিকগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স ও ভ্যাকসিন ইনচার্জ সবুজ মিয়া বলেন, ‘আমাদের সদর হাসপাতালে গড়ে ১৫০ থেকে ১৭০ জন রোগী ভ্যাকসিন নিতে আসে। আর গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে সরকারি ভ্যাকসিনটা বন্ধ রয়েছে।’
তবে এরইমধ্যে ভ্যাকসিনের চাহিদাপত্র ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার এবিএম তৌহিদুজ্জমান সুমন বলেন, ‘ভ্যাকসিনেশন সারা বাংলাদেশ ব্যাপী সংকট রয়েছে। কারণ কোম্পানি প্রোডাকশনের মাধ্যমে সরবরাহ কিছুটা কম করা হচ্ছে। আর মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের জানানো হয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি ভ্যাকসিন সমস্যা সমাধান করা হবে। এর ফলে সবাই ভ্যাকসিন পাবে।’





