সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘বাঘিল ইউনিয়ন বিএনপির ঘাঁটি, ধানের শীষের ঘাঁটি। আগামী কয়েকটি দিন আমার হয়ে আপনাদের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে মাঠে কাজ করতে হবে। আমি নির্বাচিত হলে আগামী পাঁচ বছর আপনাদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখব ইনশাআল্লাহ।’
তিনি আরও বলেন, ‘২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে জনগণ ভোট দেয়ার সুযোগ পায়নি। এখন সামনে আবার সুযোগ এসেছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার। যে নির্বাচনের দাবিতে আমাদের নেত্রী ছয় বছর অন্যায়ভাবে নির্যাতন ভোগ করেছেন, সেই নির্বাচনের জন্য দুই হাজারের বেশি নেতাকর্মী গুম হয়েছেন, অসংখ্য মানুষ খুন হয়েছেন, কারাবন্দি হয়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।’
আরও পড়ুন:
টুকু বলেন, ‘অনেক নেতাকর্মী বাবা-মায়ের মৃত্যুতেও জানাজায় অংশ নিতে পারেননি। শত শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই নির্বাচন আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
বাঘিল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম সরোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের জ্যেষ্ঠ পুত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ হাসান এবং জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মো. শামীমুর রহমান খানসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।





