আজ (বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি) পঞ্চগড় সুগার মিল মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমানের শুক্রবারের জনসভার প্রস্তুতি পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সারজিস আলম বলেন, ‘যাদের নির্বাচনের আগে দেখা যায়, কিন্তু পরের চার বছর ১১ মাস এলাকায় খুঁজে পাওয়া যায় না; যাদের কারণে মানুষ নির্যাতন ও জুলুমের শিকার হয়, ভোগান্তিতে পড়ে—এবার মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। জনগণ আর প্রতারণা মেনে নেবেন না।
তিনি আরও বলেন, ‘পুরো বাংলাদেশ এখন পরিবর্তনের পক্ষে। কৃষক, শ্রমিক, মজুর—সব শ্রেণি-পেশার মানুষের বিবেকের ভেতরে পরিবর্তনের বার্তা পৌঁছে গেছে। মানুষ এবার দলীয় প্রতীক বা পরিবার দেখে ভোট দেবেন না। তারা যাচাই করবে, কে সব সময় পাশে ছিল, কে অন্তত ক্ষতি করেনি। যারা ভোট না দিলে হুমকি দেয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করে, মামলা থেকে নাম কাটানোর নামে টাকা নেয় কিংবা বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা রক্ষা করেনি—মানুষ এবার তাদেরও বয়কট করবে।’
আরও পড়ুন:
আগামী দিনের কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘শুক্রবার সকালে ঐতিহাসিক চিনিকল মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান যোগ দেবেন। ১০ দলীয় নির্বাচনি জোটের উত্তরবঙ্গের প্রথম জনসভা এই মাঠ থেকেই শুরু হচ্ছে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই জনসভায় পঞ্চগড় জেলার লাখো মানুষের সমাগম হবে।
সারজিস আলম বলেন, ‘আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হলেও আমিরে জামায়াতের বক্তব্যের মধ্য দিয়েই জোটের প্রচারণা কার্যক্রমের সূচনা হচ্ছে। এই জনসভা থেকে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হবে, তা পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়বে এবং ইনশা আল্লাহ ১২ ফেব্রুয়ারি বিজয় পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে। এই গণজোয়ারের মধ্য দিয়েই ১০ দলীয় ঐক্যজোট আগামীর বাংলাদেশে সরকার গঠন করবে।’
এসময় জামায়াত ও এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।





