দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা মেহেরপুর। তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত এই জেলার সংসদীয় আসন দুইটা। কৃষি ও রেমিট্যান্স এই জেলার প্রধান অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি। এছাড়াও গৃহপালিত পশু-পাখি পালন করে স্বাবলম্বী এ অঞ্চলের নারীরা। শিক্ষা ক্ষেত্রে নারীদের ঝড়ে পড়া কমাতে হবে ও শিক্ষিত নারীদের আইটি সেক্টরসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে অর্থনীতিতে সমৃদ্ধ হবে এই জেলা।
মেহেরপুর সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক সানজিদা ফেরদৌস বলেন, ‘পুরো জাতীয় উন্নতির জন্য আমরা নারাীকে পিছিয়ে রেখে কোনোভাবেই আমরা এগোতে পারবো না। প্রকৃতপক্ষে নারীর প্রকৃত শিক্ষা অর্জনের জন্য ব্যবস্থা করতে হবে। তাদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে হবে।’
নারীদের যেন শুধু নারী হিসেবে মূল্যায়ন না করে বরং মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয় বলেও দাবি জানান স্থানীয় নারী ভোটাররা।
আরও পড়ুন:
মেহেরপুর শহরের বিভিন্ন এলাকাতে ক্ষুদ্র ব্যবসা করছেন নারীরা। এদের সকলেই চায় আত্মমর্যাদা। সমাজে তাদের অবস্থান, ব্যবসা এবং চলার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা চান। সেই সঙ্গে নারী শ্রমিকদের মজুরি বৈষম্য দূর হোক। নারীদের জন্য নতুন নতুন সম্ভাবনার পথ উন্মোচিত হোক এটাই চান নারী ভোটাররা।
তারা জানান, মেহেরপুরে নারী কর্মসংস্থান অনেক কম। নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হলে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখবে নারীরা।
এ জেলার নারীরা জানান, নতুন যে সরকার আসবে সে সরকার যেন নারীদের জন্য আইটি সেক্টরকে নারীবান্ধব করে গড়ে তোলে।
মেহেরপুর বঞ্চিত নারী উন্নয়ন সংঘের সভাপতি মেরিএন সুব্রতা বিশ্বাস বলেন, ‘যে সরকার আসুক না কেন আমরা চাই নারীবান্ধব পরিবেশ তৈরি হোক। আর নারীদের কর্মসংস্থানের জন্য কাজ করবে সরকার।’
মেহেরপুর জেলা নির্বাচন অফিস তথ্যমতে জেলায় মোট ভোটার ৫ লাখ ৮৭ হাজার ৬২০ জন। যার মধ্যে নারী ভোটারের সংখ্যা বেশি। দুটি আসনেই নারী ভোটারদের সংখ্যা বেশি। এবারের নির্বাচনে জয় পরাজয়ের ক্ষেত্রে বড় নির্ধারক হতে পারে নারী ভোটাররা। তাই নারীদের সুযোগ সুবিধা সৃষ্টিসহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি ও ভোট শেষে বাস্তবায়ন তার চান নারীরা।





